খবর লাইভ : একেবারে শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে গেল আর্টেমিস ১ চন্দ্রযান যাত্রা। রকেট উৎক্ষেপণের ঠিক ৪০ মিনিট বাকি থাকতে হঠাৎ রকেটের প্রধান চারটি ইঞ্জিনের মধ্যে একটিতে (RS25) যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে নাসার ইঞ্জিনিয়াররা তড়িঘড়ি মিশন মিশন থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ফের রকেট উৎক্ষেপণের পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে। আপাতত চন্দ্রযান লঞ্চ প্যাডের জায়গাতেই থাকবে। ঠিক কী কারণে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে, সেটাই এখন খতিয়ে দেখছে নাসার ইঞ্জিনিয়ারদের দল। তাঁরা আশাবাদী শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে।
নাসা বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইঞ্জিন ব্লিড (Engine Bleed) হওয়ার জন্য মিশনটি আপাতত স্থগিত হল। রকেটের ইঞ্জিনের মধ্যে তরল নাইট্রোজেন প্রবেশ করানোর সময় ব্যাপারটি তাদের নজরে আসে। উল্লেখ্য, আজ পর্যন্ত পাঠানো নাসার যাবতীয় যাত্রার মধ্যে এটি অন্যতম বলে ধরা হচ্ছে। নাসার তৈরি এই ‘ওরিয়ন মহাকাশযান’ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী। ফ্লোরিডার স্পেস স্টেশন থেকে এই উৎক্ষেপণ দেখতে ইতিমধ্যে কয়েক লক্ষ মানুষ ফ্লোরিডার হোটেল ও পার্শবর্তী এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন। আপাতত ২ সেপ্টেম্বরের দিকেই তাকিয়ে বিশ্বের অগণিত মানুষ।
১. পরবর্তী কালে আর্টেমিস ৩ মিশন কয়েক বছরের (২০২৫) মধ্যে হবে, যখন মানুষ চাঁদে নামবে, তাই তাদের যাত্রাপথের খুঁটিনাটি আগেভাগে ঠিক করে রাখা।
২. চাঁদের কক্ষপথ ছেড়ে প্রচন্ড গতিতে যখন পৃথিবীর কক্ষপথে রকেট ফিরবে, তখন যে বিপুল তাপমাত্রার (৫০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট/ ২৮০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) সৃষ্টি হবে, তার মোকাবিলা করা। যাতে পরবর্তীতে চন্দ্র অভিযানে কোনও বাধার সম্মুখীন না হয়। আপাতত সফল উৎক্ষেপণের জন্য অপেক্ষা চার দিনের।




