খবর লাইভ : মাত্র ছ’দিন! শাহবাজ় শরিফের সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এই সময়সীমাই বেঁধে দিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সঙ্গে জানালেন, এই সময়সীমার মধ্যেই পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুন করে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। এই ঘোষণার পরেই সাময়িক ভাবে ‘আজ়াদি মার্চ’-এ দাঁড়ি টানলেন। তার পরেই বানি গালার উদ্দেশে রওনা দেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর চেয়ারম্যান।
আরও পড়ুন – আজ সিবিআই দফতরে হাজির হচ্ছেন না শওকত মোল্লা,১৫ দিন সময় চাইলেন
গত কাল গভীর রাতেই ইসলামাবাদে পৌঁছেছিলেন ইমরান। আজ ইমরান তাঁর সমর্থকদের ইসলামাবাদে জমায়েতের ডাক দেন। নির্বাচন এগিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ করেছিলেন ইমরান।
শাহবাজ় শরিফের জোট সরকার ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর এই ‘আজ়াদি মার্চ’ নিষিদ্ধ করেছিল। গ্রেফতার করা হয় পিটিআইয়ের বহু কর্মী-সমর্থককে। করাচি, লাহোরের মতো শহরে দ্রুত গন্ডগোল ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, শূন্যে গুলি ছোড়ে। তবে আয়ত্তে আসেনি পরিস্থিতি।
ইমরান ইসলামাবাদ পৌঁছতে আরও উত্তেজনা বাড়ে। আজ ভোর ৫টা নাগাদ ডি চকের দিকে রওনা দেন তিনি। এই অঞ্চলের কাছেই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন। সুপ্রিম কোর্ট, আমেরিকান দূতাবাস, প্রধানমন্ত্রীর অফিস এবং পার্লামেন্টও। ইতিমধ্যেই রেড জ়োনের আওতাধীন ওই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঢুকে পড়েন পিটিআই কর্মী-সমর্থকেরা। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকলেও আগুয়ান সমর্থকদের আটকানো সম্ভব হয়নি নিরাপত্তারক্ষীদের।




