Entertainment Special News Special Reports

টলিপাড়ার আর এক অভিনেত্রী মঞ্জুষা নিয়োগীর মৃত্যু কিসের জন্য, নেপথ্যের কারণ কী?

0
(0)

খবর লাইভ  : শহরে আবার এক অভিনেত্রীর রহস্যমৃত্যু। অভিনেত্রী পল্লবী দে এবং মডেল বিদিশা দে মজুমদারের পর এ বার টলিপাড়ার আর এক অভিনেত্রী মঞ্জুষা নিয়োগীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল তাঁর পাটুলির বাড়ি থেকে। পরিবার সূত্রে খবর, বিদিশার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন মঞ্জুষা। তাঁর মায়ের দাবি, বিদিশার মৃত্যুর পরই হতাশায় ভুগতে শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী। তার জেরেই আত্মহত্যা। যদিও পুলিশ এই ঘটনায় কোনও সুইসাইড নোট পায়নি। অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত শুরু হয়েছে।

মঞ্জুষা টলিউডে কাজ করছেন বহু দিন ধরেই। একটি টিভি চ্যানেলে ধারাবাহিকে অভিনয় করতেন। পাশাপাশি থিয়েটারেও অভিনয় করতেন তিনি। বিদিশার মৃত্যুর ঠিক দু’দিনের মাথায় তাঁর বন্ধু মঞ্জুষার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

শুক্রবার মৃত অভিনেত্রী মঞ্জুষার মা বললেন, ‘‘এদের সামনে প্রচুর পয়সার হাতছানি। এরা ভাবে, যা খুশি তাই করব। আমার মেয়েও সব সময় উপরে ওঠার চিন্তা করত। সেটাই কাল হল।’’ প্রথমে পল্লবী এবং তার পর বিদিশার মৃত্যুর পরই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন মঞ্জুষা। তাঁর মায়ের কথায়, ‘‘ও শুধু বলত বিদিশার কথা। ওরা খুব বন্ধু ছিল। ও চলে যাওয়ার পরই মৃত্যুর বাসনা আরও বেশি জেগে ওঠে আমার মেয়ের মধ্যে।’’ তাঁর দাবি, ‘‘ও আমাকে বলেছিল, ‘পল্লবীর বাড়িতেও সাংবাদিকরা এসেছিল, তোমার বাড়িতেও আসবে।’ আমি ওকে কত করে বোঝাতাম। কোনও লাভ হল না।’’

মঞ্জুষার মায়ের দাবি, মেয়ে চার-পাঁচ দিন আগেই বাপের বাড়িতে এসেছিল। তাঁর কথায়, ‘‘বিদিশা ওর বান্ধবী ছিল। একসঙ্গে ওরা অনেক কাজ করেছে। কাল সারা দিন বিদিশার কথাই বলছিল। বার বার বলছিল, আমিও বিদিশার মতো করব। কালও শ্যুটিং সেরে এসেছিল।’’

একই সঙ্গে মঞ্জুষার মা প্রশংসা করেছেন তাঁর জামাইয়েরও। বলেছেন, ‘‘আমার জামাই খুব ভাল মানুষ।’ বিয়ের পর জামাই বলত যে এত কাজ একসঙ্গে করতে হবে না। এই ইন্ডাস্ট্রিতে ছিল বলে শরীর রোগা রাখত, খাওয়া-দাওয়া কম করত। আমিও বলতাম, ভাল করে খাওয়া দাওয়া করতে। না খেলে শরীর খারাপ হবে। কিন্তু তার আগেই ও নিজেকে শেষ করে দিল।’’

মঞ্জুষার মা বলেন, ‘‘জামাই ওকে দিন দুই আগে নিতে এসেছিল। মাত্র ছ’মাস আগে ওদের বিয়ে হয়েছে। কাজের জায়গায় হতাশা ছিল। ঠিক মতো কাজ পাচ্ছিল না। জামাই বলত, ‘এখন অত চিন্তার কিছু নেই। কাজ না পেলে না পাবে। ছেলে-মেয়ে হোক। তার পর আবার চেষ্টা করবে।’ জামাইয়ের কথা ওকে বললে, আমাকে বলত, ‘তুমি তোমার জামাইকে নিয়ে থাকো। আমি চললাম।’’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *