খবর লাইভ : নিয়মিত ব্যাটারি চার্জ করা দরকার এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে। তাতে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের চার্জিং গতি যেমন বজায় থাকে, তেমনই আয়ুও বাড়ে।
১. ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথ
ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং অন্যান্য একই ধরনের পরিষেবাগুলোয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ব্যাটারি খরচ হয়। সেগুলো বন্ধ করলে তা ডিভাইসের চার্জিং গতিকে অনেকটাই উন্নত করতে পারে।
২. ইউএসবি পোর্ট নয়
বিশেষ প্রয়োজন ব্যতিরেকে গাড়ি, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ডিভাইসে ইউএসবি পোর্ট দিয়ে মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ না করাই ভালো। ওয়াল সকেট অনেক ভালো। নির্ভরযোগ্য চার্জিং করা সম্ভব।
৩. আসল কেবল
মোবাইল ব্যাটারি চার্জিংয়ের জন্য নিজের স্মার্টফোনের আসল কেবল এবং অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করুন। অন্য কোনো ব্র্যান্ডের চার্জার ব্যবহার করলে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারির ক্ষতি হতে পারে এবং চার্জিং গতিকেও ব্যাহত করতে পারে।
৪. ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসিং অ্যাপ
যদি দরকার না হয়, তা হলে চার্জিংয়ের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসিং অ্যাপগুলি বন্ধ করুন। এ ধরনের অ্যাপ ব্যাটারি ব্যবহার করায় চার্জের গতি কমে যায়। বন্ধ করে দিলে চার্জিংয়ের গতি বাড়তে পারে।
৫. দ্রুত রিচার্জ এড়িয়ে চলুন
যে কোনো স্মার্টফোনের একটি ব্যাটারির নির্দিষ্ট সংখ্যক চার্জিং চক্রের ক্ষমতা থাকে। ছোটো দ্রুত চার্জারগুলি ব্যাটারির সামগ্রিক আয়ুকে প্রভাবিত করে এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে চার্জিংয়ের গতিও কমিয়ে দেয়।
৬. সারা রাত ধরে চার্জিং
অনেকেই সারা রাত ধরে মোবাইলটাকে চার্জে বসিয়ে রাখেন। এটা হয়তো এক দিন বা এক মাসে ব্যাটারির কোনো ক্ষতি করে না। কিন্তু দিনের পর দিন চলতে থাকলে ব্যাটারির ক্ষতি করতে পারে এবং চার্জিংয়ের গতি কমিয়ে দিতে পারে।
৭. চার্জের সময় ব্যবহার
ব্যাটারি চার্জ করার সময় মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। চার্জিংয়ের সময় মোবাইলে কথা বলা অথবা গেম খেলা ডিভাইসের ক্ষতি করতে পারে। এমনকী ব্যাটারি চার্জিংয়ের গতিও কমিয়ে দেয়।




