খবর লাইভ : উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের গোলাবাড়ি পল্লিমঙ্গল বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষক শেখ শফি আলম। তাঁর বিরুদ্ধে দু’বছর বেতন আটকে রাখার অভিযোগ করেন ওই স্কুলেরই এক শিক্ষক রাজু জানা। সেই মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Judge Abhijit Ganguly) জানতে চান প্রধান শিক্ষক কোন আইনে ডিআই এর সঙ্গে আলোচনার পর একজন শিক্ষকের বেতন ২ বছর বন্ধ করে রাখে?
প্রধান শিক্ষকের সাফাই, জিলা স্কুল পরিদর্শকের ল অফিসারের পরামর্শ মতো বেতন বন্ধের সিদ্ধান্ত। ওই শিক্ষককে উত্তর ২৪ পরগনার একটি কলেজে বিএড-এর জন্য ছুটি দেওয়া হয়। দেখা যায় ওই কলেজে বিএড করতে যাননি শিক্ষক। তিনি সবেতন ছুটি উপভোগ করছেন। এই কারণেই শিক্ষকের বেতন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Calcutta High Court)।
যদিও মামলাকারী শিক্ষক জানান, তিনি অন্য একটি কলেজে বিএড করার সুযোগ পান। সেখানেই বিএড করেন। এক্ষেত্রে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রধান শিক্ষকের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিচারপতির মন্তব্য, প্রধান শিক্ষক নিজের জমিদারি স্টাইলে বেতন বন্ধ করেছেন। তিনি বলেন, “আপনারও বেতন বন্ধ করে দেব তাহলে বুঝবেন অন্যের বেতন বন্ধের জ্বালা।”



