খবর লাইভ : বিধায়ক অফিস থেকে মুছে দেয়া হল খোদ বিধায়কের নাম। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে না দেখা যাওয়ায় এই এলাকায় বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ খোদ দলের নেতা কর্মীদের।তাই দলীয় কার্যালয় থেকে মুছে ফেলা হল তালডাংড়া বিধানসভার বিধায়ক অরূপ চক্রবতীর নাম।
আরও পড়ুন- ফের বিদ্রোহ, বারাসত জেলা কমিটি থেকে ইস্তফা ১৫ বিজেপি নেতার
অভিযোগ, যিনি এতদিন এলাকার মানুষের ‘কাছের মানুষ’ ‘কাজের মানুষ’ ছিলেন আজ তিনি দূরের মানুষ হয়ে গিয়েছেন। কোনও প্রয়োজনে বিধায়ককে আর না পাওয়ার অভিযোগ স্থানীয় তৃনমূল নেতা-কর্মীদের। বিধায়কের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিমলাপাল কোর কমিটির চেয়ারম্যান নিখিল সিংহ মহাপাত্র।
অভিযোগ, সামান্য বিধায়ক সার্টিফিকেটের জন্য সাধারণ মানুষ স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের ছুটে যেতে হয় ৩০ কিলোমিটার দূরের বিধায়কের বাসভবন বাঁকুড়ায়। কারণ কার্যালয়ে তাঁর দেখা মেলে না কখনোই।
যদিও বিধায়কের দাবি, আমি সিমলাপালে অফিস করিনি। যারা করেছিলেন আসলে তারাই মুছেছেন নাম। বিধায়কের কি দায়িত্ব তা আমাকে কারও কাছ থেকে শিখতে হবে না। তা আমি জানি ভালো করেই।
২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তালডাংরা কেন্দ্রে জয় পান তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী। জেতার পর থেকেই সিমলাপালে বিধায়ক কার্যালয়ে নিয়মিত বসতেন তিনি। সেই সময় এলাকার মানুষ তাঁর কাছে বিভিন্ন পরিষেবা পেতেন, এমনটাই দাবি করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। শনিবার সিমলাপালে কার্যালয়ে তৃণমূল বিধায়কের নাম সাদা রং দিয়ে ঢেকে দেন দলের কর্মীদের একাংশ।
তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, বেশ কয়েকমাস ধরে সিমলাপালের বিধায়ক কার্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন অরূপ চক্রবর্তী। জঙ্গলমহলের মানুষকে পরিষেবা নিতে ছুটতে হচ্ছে বাঁকুড়ায় অরূপবাবুর বাড়িতে।




