খবর লাইভ : আবার শাসক দলের বিধায়কের বেফাঁস মন্তব্যে শোরগোল। এবার ঘটনাস্থল হাওড়ার ডোমজুড়। সম্প্রতি ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচন বিরোধীশূন্য করার ডাক দিয়েছেন ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ। আর সেই ভিডিও ঘিরেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
আরও পড়ুন- শপথ বিতর্কে বাবুলকে টুইটে খোঁচা ধনকড়ের
সম্প্রতি ভাইরাল এই ভিডিওতে হাওড়া সদরের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও সভাপতি কল্যাণ ঘোষকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘২০২৩ সালের গ্রাম পঞ্চায়েতে এই এলাকায় যেন একটাও কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল প্রার্থী দিতে না পারে। যদি প্রার্থী দেয়ও, একটা ভোট যেন না পায়। আপনারা শুধু সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। তারপর আমাদের দায়িত্ব। বিগত দিনে কী হয়েছে ভুলে যান।’
মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে ওঠে ওই ভিডিও। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা ‘খবর লাইভ ‘ যাচাই করেনি। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যের নিন্দায় সরব হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতৃত্বের তীব্র সমালোচনা করে উমেশ রাই বলেন, কল্যাণজি যেভাবে তৃণমূলকে নির্দেশ দিচ্ছেন সেটা নতুন কিছু নয়। এটাই ওনারা ২০১৮ নির্বাচনেও করেছিলেন। বিরোধী প্রার্থীদের জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য করেছে। বিরোধীদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে ভোট দিতে যেতে বাধা দিয়েছে। নিজেরা ভোট করেছে। তৃণমূল একটা বিশৃঙ্খল দল। ওরা হিংসা ছাড়া কিছু জানে না। এছাড়াও এদিন তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, এভাবে ভোট আর করতে দেবে না বিজেপি। মানুষের জীবনের বিনিময়ে আর যাতে ভোট না হয়, তার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি বা যতদূর যাওয়ার প্রয়োজন তাঁরা যাবেন।
যদিও এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে কল্যাণ ঘোষ বলেন, “আমি দলের কর্মীদের বার্তা দিয়েছি, আমাদের লক্ষ্য মজবুত সংগঠন গড়া। পাড়ায়-পাড়ায় মানুষের কাছে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্প তুলে ধরা। যাতে বিরোধীরা যেন ভোটে দাঁড়ানোর কথা চিন্তা-ভাবনা না করে। যদি ওদের নেতারা জোর করে কাউকে প্রার্থী করে সেক্ষেত্রে যেন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।’




