খবর লাইভ : কলকাতায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি চলছে।টানা ৫৫ দিন বৃষ্টি নেই কলকাতা সহ সংলগ্ন এলাকায়। আরও তিন চার দিন এমন পরিস্থিতি থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।এমন অবস্থায় রাস্তায় বেরানো দায়! কিন্তু কাজে কর্মে বেরতে হলে অসহনীয় গরমের মধ্যেই বের হতে হবে।ফলে যে কোনও সময়ে শরীর খারাপ হতেই পারে।তীব্র তাপপ্রবাহে হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনাও থেকেই যায়।এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ রাখবেন কী ভাবে?
মূলত অত্যন্ত গরমে বা তাপ প্রবাহের পরিস্থিতিতে শরীরে জল শূন্যতা, ডিহাইড্রেশন, পেশিতে টান ধরা, রোদের জন্য শরীর শুকিয়ে যাওয়া, দেহে অত্যাধিক ঘাম হওয়ায় সোডিয়াম পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া, হাঁপিয়ে যাওয়া, একটুতেই জ কলকাতায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি চলছে।টানা ৫৫ দিন বৃষ্টি নেই কলকাতা সহ সংলগ্ন এলাকায়। আরও তিন চার দিন এমন পরিস্থিতি থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।এমন অবস্থায় রাস্তায় বেরানো দায়! কিন্তু কাজে কর্মে বেরতে হলে অসহনীয় গরমের মধ্যেই বের হতে হবে।ফলে যে কোনও সময়ে শরীর খারাপ হতেই পারে।তীব্র তাপপ্রবাহে হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনাও থেকেই যায়।এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ রাখবেন কী ভাবে?
মূলত অত্যন্ত গরমে বা তাপ প্রবাহের পরিস্থিতিতে শরীরে জল শূন্যতা, ডিহাইড্রেশন, পেশিতে টান ধরা, রোদের জন্য শরীর শুকিয়ে যাওয়া, দেহে অত্যাধিক ঘাম হওয়ায় সোডিয়াম পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া, হাঁপিয়ে যাওয়া, একটুতেই ক্লান্তি, ঝিমুনি, মাথা ধরা, খিটখিটে মেজাজ এই সব কিছুর সম্ভাবনা থেকে থাকে।
রোদ থেকে শরীরকে বাঁচাতে গেলে এবং সুস্থ থাকতে অনেক গুলি বিষয় মেনে চলতে হবে।
সতর্ক হতে হবেঃ-
- রোদের তাপে শরীর শুকিয়ে গেলে বা হিট ক্র্যাম্প হয়ে জ্ঞান হারাতে পারেন।পাশাপাশি ১০২ ডিগ্রির কাছাকাছি জ্বর আসতে পারে। শরীরে নানা জায়গা লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে।
- এক্বটুতেই হাঁপিয়ে যাওয়া, খুব বেশি ঘাম হওয়া, বারবার বমি হওয়ার প্রবণতা তৈরি হওয়া বা মাথা ধরা, এই সবই অতিরিক্ত ক্লান্তি বা হিট ফ্যাটিগের লক্ষণ।ফলে দিনের বেলায় ১২ টা থেকে ৪ টের মাঝের সময়ে বাড়ি থেকে না বেরনোই ভালো।
- রোদের তাপ লেগে অনেকেরই স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জ্ঞান হারিয়ে যাওয়া এর অন্যতম লক্ষণ। ব্যক্তির ১০৪ ডিগ্রির কাছাকাছি জ্বর আসতে পারে।পরিস্থিতির অবনতি হলে রোগী কোমাতেও চলে যেতে পারেন বা মৃত্যুও হতে পারে




