খবর লাইভ : বেআইনি কাজ বন্ধ করতে নারাজ পুলিশ ও প্রশাসন। নিষ্ক্রিয় বিধায়করাও। বারবার জানানো সত্ত্বেও বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করেনি প্রশাসন বা পুলিশ কেউই। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রমরম করা শুরু হয় বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ। রাস্তার ক্ষতির পাশাপাশি একের পর এক চাষযোগ্য জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাতের ঘুম প্রায় নষ্ট হচ্ছে এলাকার লোকজনের। এমতাবস্থায় হুগলির জাঙ্গিপাড়া ও চণ্ডীতলা থানার বহু মানুষ বিজেপির দ্বারস্থ হওয়ায় গেরুয়া নেতৃত্ব হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতারা।
রাজ্যের সর্বত্র বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ বন্ধ থাকলেও রমরমিয়ে চলছে চণ্ডীতলা, জাঙ্গিপাড়া ও হাওড়ার জগৎবল্লভপুর এলাকায়। রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে শুরু হয় বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ। পুলিশ জেনেও নীরব রয়েছে বলে এলাকার মানুষজনের অভিযোগ। তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। বিজেপি নেতা তথা কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, ‘রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের পরও শোধরাতে পারেনি পুলিশ ও প্রশাসন। রামপুরহাট কাণ্ডে পুলিশের সন্দেহজনক গতিবিধি সিবিআইয়ের নজরে এসেছে। তারপরও রমরমিয়ে কীভাবে চলে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ। তাই আমরা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করছি। যাতে এই বেআইনি কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত হয় আদালত তা দেখুক।’
শুধু বিজেপি নেতৃত্বই নয়, তৃণমূলের মন্ত্রী বেচারাম মান্নাও এই বেআইনি কাজ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে।




