খবর লাইভ : কলকাতার মুকুটে নয়া পালক, এবার রাষ্ট্রসংঘের তরফে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জিতে নিল তিলোত্তমার গণপরিবহণ। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘ কর্তৃক প্রকাশিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক রিপোর্টে এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার মোকাবিলা করার জন্য, একে একটি “দৃষ্টান্তমূলক সমীক্ষা” হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
“ক্লাইমেট চেঞ্জ ২০২২: মিটিগেশন অফ ক্লাইমেট চেঞ্জ” শীর্ষক ওই রিপোর্টে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বেশ কয়েকটি গণপরিবহণ মাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ওই গণপরিবহণ মাধ্যমগুলি কলকাতার শহরাঞ্চলে এক দশকের মধ্যে প্রতি এক ইউনিট জিডিপির নিরিখে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের হার প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমান আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন- এসএসসি উপদেষ্টা কমিটির আরও দুই সদস্যকে আজ নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ হাইকোর্টের
এই প্রতিবেদনের পঞ্চম অধ্যায়ে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নয়টি সমীক্ষা অনুসন্ধানের মধ্যে কলকাতার গণপরিবহন মডেল স্থান পেয়েছে। কলকাতা ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, ঘানা, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি, ফিনল্যান্ড এবং উগান্ডার গণপরিবহন মডেল স্থান পেয়েছে।
রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “কলকাতার সংখ্যাগরিষ্ঠ গণপরিবহণ মাধ্যম হল রিক্সা; যার মাধ্যমে দুজন মানুষ যাতায়াত করতে পারে। এছাড়াও মেট্রো বা শহরতলির ট্রেনগুলির মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। নানান পরিবহণ মাধ্যমের দ্বারা নিত্যদিন মানুষজন যাতায়াত করে।”
ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, “রাজ্য সরকারও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সহযোগীদের সঙ্গে যৌথভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যাতে সামগ্রিকভাবে পুরো বিষয়টির উন্নতি সাধন করা যায়”।
কলকাতার মহানাগরিক তথা বাংলার পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণের উন্নতির জন্য আরও অনেক কিছু করার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, খুব শীঘ্রই কলকাতায় আরও ৫০টি ইলেকট্রিক বাস আনা হচ্ছে। আমরা আরও ইলেকট্রিক বাসের আবেদন করে, তবে সরবরাহের সমস্যা রয়েছে।




