District Special News Special Reports

আশরাফকে গ্রেফতারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ এলাকার লোকজন

0
(0)

খবর লাইভ : একসময় নামমাত্র টাকায় এমব্রয়ডারির শ্রমিকের কাজ করতেন। যা হোক করে সংসার চলতো। একদিন কাজ না করলে উনুনে হাঁড়ি বসতো না। কিন্তু রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পরই বদলে গেল তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি। কখনও অসহায় মহিলাদের বিচারের নামে মোটা টাকা তোলা আদায় করতেন তো আবার কখনও মুণ্ডেশ্বরী ও দামোদর থেকে বেআইনিভাবে বালি ও মাটি তুলে অন্যত্র পাচার করতেন। এভাবেই দিনের পর দিন বেআইনি কাজের মাধ্যমে নিজের আর্থিক উন্নতি করে গেছেন হুগলির পুরশুড়ার শ্যামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আশরাফ মিদ্দা ওরফে আব্দুল। আর তাঁর পাপের ফল ভোগ করতে হয়েছে তৃণমূলকে। এভাবেই দিনের পর দিন জেলাস্তরের নেতাদের নাম ভাঙিয়ে ও ওই নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে সেই ছবির মাধ্যমেই এলাকায় তোলাবাজি ও বেআইনি কাজ করতেন আব্দুল। এমনটাই অভিযোগ এলাকার লোকজনের ও তৃণমূলের একটা বড় অংশের।

আরও পড়ুন- হাইকোর্ট রক্ষাববচ দিল না, অনুব্রতকে 6 এপ্রিল ফের তলব করল সিবিআই
সম্প্রতি বড়দিঘরুইয়ে মুণ্ডেশ্বরী থেকে বেআইনিভাবে মাটি ও বালি তুলে অন্যত্র পাচার করছিলেন আব্দুল। সেই কাজ পুলিশ বন্ধ করলেও কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হল না সেই প্রশ্নে সরব হয়েছেন সমাজের একটা বড় অংশ। পিছিয়ে নেই সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেসের মতো রাজনৈতিক দলগুলোও। একইসঙ্গে তৃণমূলের একটা বড় অংশও আব্দুলের গ্রেফতারির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। কেন পুলিশ বেআইনি কাজে জড়িত আব্দুলকে গ্রেফতার করছে না? সেই দাবিতে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বহু মানুষ।
পুরশুড়া থানার ওসি আশরাফ আলি মোল্লাকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এসএমএসের উত্তরও দেননি।
শুধু বড়দিঘরুই-ই নয়, বৈকুণ্ঠপুর ও জঙ্গলপাড়াতেও দামোদর থেকে বেআইনিভাবে মাটি ও বালি তোলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতা রহিম দেওয়ানের বিরুদ্ধে। পুরশুড়া থানার সামনে দিয়েই সেই বেআইনি মাটি ও বালির গাড়ি যাতায়াত করছে। রহিম অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *