খবর লাইভ : রামপুরহাট গণহত্যা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি। আদালতের এই নির্দেশ মেনে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। তবে সঠিক তদন্ত না হলে প্রতিবাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। যদিও কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর সিট সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেল।
আরও পড়ুন- Bogutui: বগটুই মৃত্যু কাণ্ডে আনারুলের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, সিবিআই তদন্তে চাপ বাড়ল বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট থেকে চুনোপুঁটিদের ।
এমনিতেই গরুপাচার কাণ্ডে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ব়্যাডারে আছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত। এবার বগটুইতে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ লড়াই নিয়ে তদন্ত করে কেষ্টদের অবস্থান খতিয়ে দেখবে সিবিআই। বিরোধীরা এখন থেকেই বলতে শুরু করেছে কান টানলে মাথা আসার তত্ত্ব।
সবচেয়ে মজার কথা, গণহত্যা ঘটে যাওয়ার পর দিন সকালেও অনুব্রত মন্ডল দাবি করেন, ওখানে শর্টসার্কিট হয়েছে। তার মানে অনুব্রত ঘটনা জেনেও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সিবিআই কি তাঁর এই মন্তব্যের সদুত্তর জানতে চাইবে? মুখিয়ে বীরভূম সহ গোটা বাংলা।
বিরোধীদের বক্তব্য , সিটের কাছে কী জবানবন্দি দেন আনারুল, তার ওপর ভিত্তি করে ডাকা হতে পারে অনুব্রত সহ অনান্য শীর্ষ নেতৃত্বকে।
উল্লেখ্য, বাম জমানাতেও যেসব গণহত্যার ঘটনা ঘটেছিল, তাতে ডাক পড়েছিল অনেক রাঘব বোয়ালের। ছোটো আঙারিয়া কাণ্ডে সিবিআই-এর মুখোমুখি হয়েছিলেন তৎকালীন মেদিনীপুরের সিপিএমের জেলা সম্পাদক দীপক সরকার। বিরোধীদের বক্তব্য, এক্ষেত্রেও তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। শেষপর্যন্ত কি হয় সেদিকেই আপাতত তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা।
#Rampurhat
#CBI
#Anubrata Mondol



