খবর লাইভ : হাওড়ার জগৎবল্লভপুর আছে জগৎবল্লভপুরের মতোই। বিশেষ করে জগৎবল্লভপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ও বড়গাছিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এখনও সরকারি জায়গা দখল করে বেআইনি নির্মাণ বা ডোবা বুজিয়ে বেআইনি প্রোমোটিংয়ের কাজ অবাধে চলছে। সেই সঙ্গে জগৎবল্লভপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালি গ্রামে এখনও রমরমিয়ে চলছে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ। না আছে প্রশাসনের কোনও নজর না আছে পুলিশের কোনও হস্তক্ষেপ।
স্থানীয় বিধায়ক সীতানাথ ঘোষ বিষয়টি জানার পরেও কোনও কিছুই না হওয়ায় ওই এলাকার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। এলাকার লোকজন এই বেআইনি কাজগুলোর জন্য সরাসরি শাসকদলের একাংশকেই দায়ি করেছেন। অবিলম্বে এই সব বেআইনি কাজ বন্ধ না হলে তাঁরা শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জগৎবল্লভপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জগৎবল্লভপুর মৌজার জেএল নম্বর ৪ এর ১১১০, ১১৭৫, ১২১৪, ১২১৫ ও ৫৯২ নম্বর দাগগুলিতে বেআইনিভাবে নির্মাণ হয়েছে। এরমধ্যে বেশিরভাগই সরকারি জায়গা রয়েছে। তাছাড়া ৫৯২ নম্বর জায়গাটা রেলের। এর বেশিরভাগই প্রোমোটিং করেছেন জগৎবল্লভপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা বর্তমানে তৃণমূলের সদস্য নির্মল ঘোষ বলে অভিযোগ। নির্মল আবার ওই পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান রঞ্জন কুণ্ডুর অত্যন্ত প্রিয়পাত্র। স্থানীয় বিধায়কও বিষয়টি জেনে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে এলাকার মানুষজনের অভিযোগ। নির্মল ঘোষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
জগৎবল্লভপুরের বিধায়ক সীতানাথ ঘোষেরও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বড়গাছিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের জেএল নম্বর ৫ এর ৫০৮, ৫৫৮ ও ৯৫৮ জায়গাগুলি যথাক্রমে ডোবা ও নয়ানজুলি বুজিয়ে প্রোমোটিং করা হয়েছে। এখানেও শাসকদলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম জড়িয়ে গেছে। তবু কোনও পদক্ষেপ এখনও না নেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার লোকজন।




