খবর লাইভ : কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ট্যুইটারের যুদ্ধ চরমে উঠল। ভারতে ব্যবসা করতে গেলে দেশের আইন-কানুন মেনে চলতে হবে বলে অন্যতম মাইক্রোব্লগিং সাইট ট্যুইটারকে রীতিমত হুঁশিয়ারি দিল কেন্দ্র। এমনকি কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে ট্যুইটার সহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়াকে খলনায়কের কাঠগড়ায় তুললেন।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে বলেছেন, ‘ভারতে আপনাদের কয়েক কোটি ফলোয়ার রয়েছে। আপনারা এখানে স্বাধীনভাবে ব্যবসা করছেন। কিন্তু ভারতের সংবিধান আপনাদের মেনে চলতে হবে।’ একইসঙ্গে নাম না করে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, লিঙ্কেডিন সহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি তাঁর তোপ, ‘সোশ্যাল মিডিয়া এখন আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সোশ্যাল মিডিয়া সাধারণ মানুষের শক্তি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া মিথ্যে খবর ও হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করলে আমরা কড়া ব্যবস্থা নেব।’ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে সাফ জানানো, ‘নিজেদের নিয়ম বিধি যাই হোক না কেন, ভারতে ব্যবসা করতে গেলে দেশের আইন–কানুন মেনে চলতে হবে। আইন মেনে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা প্রত্যেক ব্যবসায়িক সংস্থাকে মেনে চলতে হবে। সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ করতে হবে।’
কৃষক আন্দোলনকে ঘিরে যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে উস্কানিমূলক এবং ভুয়ো খবর রটানো হচ্ছে, সেই সব অ্যাকাউন্ট বাতিল করার জন্য ট্যুইটারকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। তা না হলে ভারতে ট্যুইটার আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। জরিমানা এমনকি আইন মেনে ৭ বছরের জেলও হতে পারে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়। কেন্দ্রের চাপে কিছু অ্যাকাউন্ট বাতিল করেছে মার্কিন সংস্থা। পরে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে কিছু অ্যাকাউন্ট আবার চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমনকি একটি ব্লগ পোস্টে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ‘কেন্দ্রের নির্দেশের সঙ্গে সংবিধান মেনে তৈরি হওয়া আইনের কোনও সামঞ্জস্য নেই। বাক্স্বাধীনতা লঙ্ঘন হতে পারে, এমন কাজ ট্যুইটার করবে না।’ ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের এই বিবৃতিতেই চটেছে কেন্দ্র।
উল্লেখ্য, ২৬ জানুয়ারি দিল্লিতে হিংসার ঘটনার পর ট্যুইটার কর্তৃপক্ষকে ১৩০০ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক, সমাজসেবক, রাজনীতিবিদদের অ্যাকাউন্ট ছিল সেই তালিকায়। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ জানায়, এভাবে কারও অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা গণতন্ত্রবিরোধী। এক্ষেত্রে ট্যুইট ব্লক করা যেতে পারে অথবা অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা যায়। কিন্তু অ্যাকাউন্ট পাকাপাকি বন্ধ করা যায় না। তবে হিংসা আটকানোর জন্য হ্যাশট্যাগ সমেত প্ররোচনামূলক শব্দের ব্যবহার বন্ধ করতে তারা নতুন গাইডলাইন আনবে বলেও জানিয়েছিল ট্যুইটার। কিন্তু কেবল এই পদক্ষেপে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…