খবর লাইভ : বিগত ৩০ বছর ধরে মালদহে আসছেন। কিন্তু ভোটের ফলাফলে দাগ কাটতে পারেননি। এমনকি গত লোকসভা ভোটেও মালদহে একটি আসনও পায়নি তৃণমূল। তাই বুধবার মালদহের জনসভায় আক্ষেপই ঝরে পড়ল তৃণমূল সুপ্রিমোর গলায়। এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তাঁর প্রশ্ন, ‘মালদহে কি আমরা কিছু পাব না? ৩০ বছর ধরে মালদহে আসছি। ভোটের আগে সব সমীকরণ পালটে যায়। দুঃখ হয়, মালদহে আমাকে শূন্য হাতে ফেরালে!’
মালদহে আসন না পেলেও তিনি যে এই জেলা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল, তাও স্পষ্ট করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘আমি মালদহের জন্য অনেক করেছি। কিন্তু একটাও আসন পাইনি, একটা সিটে কংগ্রেস জিতেছে। একটা বিজেপি জিতেছে। এমনকি, মৌসমকেও হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি কিন্তু মৌসমকে রাজ্যসভায় করে দিয়েছি। দক্ষিণ দিনাজপুরে আমার সাংসদ নেই। আমি কিন্তু অর্পিতা ঘোষকে করে দিয়েছি। মানস ভুঁইয়াকে করে দিয়েছি।’ একইসঙ্গে মালদহে সিভিক ভলান্টিয়ারদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, মালদহে একটা প্রকৃত সমস্যা আছে। সিভিক ভলান্টিয়ারদের সমস্যা। তাঁদের সমস্যাটা এই মুহূর্তে করতে পারব কি না জানি না। কিন্তু আমি কথা দিচ্ছি, আমি করে দেব।’
এদিন মমতা মালদহের জনসভা থেকেও রথযাত্রা নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়ান। বলেন, ‘বিজেপি নেতারা এখন জগন্নাথ সাজছে, বলরাম সাজছে, সুভদ্রা সাজছে। কোনও ধর্মকে কেউ অসম্মান করতে পারে না। আমরা রথযাত্রাকে শ্রদ্ধা করি। আর বিজেপির নেতারা একটা বড় বাসের মধ্যে একটা করে হোটেল বানিয়েছে। সেই হোটেলগুলোতে খাচ্ছে-দাচ্ছে ঘুরে বেড়াচ্ছে। রথযাত্রাকে সম্মান করি, কিন্তু আপনাদের সম্মান করতে পারব না। সব ধর্ম সব ধর্মের মতো চলবে। যে যার নিজের নিজের ধর্ম পালন করবে।’ জনগণের টাকা নিয়েই বিজেপি রথযাত্রার আড়ম্বর করছে বলেও তোপ দাগেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর কথায়, ‘এমন দিন ছিল, দিনে একটা বিড়ি তিন বার খেত। আর এখন লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি টাকা। কোথা থেকে এল এত টাকা?’ এপ্রসঙ্গে বিজেপি টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেত্রীর পরামর্শ, ‘ভোটের সময় অনেক টাকা নিয়ে আসবে। আপনাদের দেবে। টাকা নিয়ে নেবেন। কিন্তু ভোট দেবেন না। কারণ ওটা জনগণের টাকা।’
বিজেপি সারা দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগাতে চাইছে বলেও অভিযোগ তুলে মমতার দাবি, কোনভাবে বাংলা দখল করতে পারবে না। তাঁর কথায়, ‘ওদের ধান্দা হচ্ছে, দিল্লি থেকে বাংলাকে কন্ট্রোল করবে। গুজরাত থেকে কন্ট্রোল করবে। কিন্তু আমার জীবন থাকতে সেটা হতে দেব না। আপনারাও দেবেন না। ওরা বার বার বাংলায় আসছে। ভাবছে, বাংলা দখল কববে। মমতার মেরুদণ্ড ভেঙে দেবে। কিন্তু আমার মেরুদণ্ড কী ভাঙবে? আমি বাংলায় জিতবই। তার পর ভারতবর্ষকেও দেখব।’
এদিন মমতা বিনামূল্যে সমগ্র রাজ্যবাসীকে রেশন বিতরণ, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে বিনামূল্যে চিকিত্সার ব্যবস্থা করা, কৃষকবন্ধু প্রকল্পে কৃষকদের প্রদেয় অর্থের পরিমাণ বাড়ানো সহ নিজের সরকারের কাজের পরিসংখ্যান দিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তুলনা তুলে ধরে তৃণমূলকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার আবেদনও জানান।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…