খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির দায়ের করা এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে শীর্ষ আদালতে একটি ৩৪ পাতার হলফনামা জমা দেওয়া হয়। সেই হলফনামার জবাব দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে ৭ দিন সময় চেয়েছে ইডি।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দেয় রাজ্য। মঙ্গলবার শুনানির শুরুতেই ইডির তরফে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদন করেন, রাজ্যের দেওয়া হলফনামা খতিয়ে দেখার সময় দেওয়া হোক। ইডি-ও পাল্টা হলফনামা দিতে চায় বলে আদালতে জানান তুষার। শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হয় ইডির তরফে। ইডির আবেদন নিয়ে রাজ্য মত জানতে চায় বিচারপতি মিশ্রের বেঞ্চ। রাজ্য সম্মতি দেওয়ার পরই মামলা পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানায় তারা। আগামী মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
এদিন আদালতে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর সওয়াল ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইডির তল্লাশিতে বাধার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা নস্যাৎ করে দিয়ে তিনি বলেন, “আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন ও আইপ্যাকের অফিসে ইডির তল্লাশিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও বাধা দেননি।”
আইনজীবী আরও দাবি করেন, “ইডির আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পরেই নথিতে হাত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি শুধুমাত্র পার্টি সংক্রান্ত এবং স্পর্শকাতর কিছু নথি সেখান থেকে নিয়ে এসেছিলেন।” অর্থাৎ, তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ এদিন আদালতের সামনে অস্বীকার করেছে রাজ্য।
এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছিল, দলের কিছু অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ তুলেছিলেন, এই তল্লাশির নেপথ্যে বিজেপির রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে। এবার রাজ্য ও মুখ্যমন্ত্রীর হলফনামার পর ইডি পরবর্তী শুনানিতে কী জবাব দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
Like this:
Like Loading...