খবর লাইভ : ওসি আসে ওসি যায় কিন্তু হয় না কোনও বদল। এখন হুগলির চণ্ডীতলা ও জাঙ্গিপাড়া থানা এলাকার চিত্র এটাই। দীর্ঘদিন ধরেই এই দুই থানা এলাকায় একের পর এক অনৈতিক কাজ হলেও পুলিশের কোনও হেলদোল নেই বলে অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের। এই দুই থানা এলাকাতেই দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি সাট্টা, জুয়া ও চোলাই মদের কারবার রমরমিয়ে চলছে। যা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে স্থানীয় লোকজন একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় না বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে চণ্ডীতলা থানার শিয়াখালা, মশাট, গোপালপুর, ভগবতীপুর, চণ্ডীতলা, জঙ্গলপাড়া, কৃষ্ণরামপুর, গঙ্গাধরপুর, জনাই সহ একাধিক জায়গায় বেআইনিভাবে সাট্টার কারবার চলছে। বারবার অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। কিন্তু পুলিশ কোনও পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ এলাকার লোকজনের। বেআইনি সাট্টার কারবারের পাশাপাশি এই সমস্ত এলাকায় বেআইনি মদের কারবারও হয় বলে অভিযোগ তাঁদের। স্থানীয় প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এবার বাধ্য হয়ে রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে অভিযোগ পাঠালেন ওই এলাকার লোকজন। পাশাপাশি বিজেপির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ পাঠানো হয়েছে।
চণ্ডীতলার পাশাপাশি জাঙ্গিপাড়ার রহিমপুর, তারাজল, দিলাকাশ, আঁটপুর সহ একাধিক জায়গায় বেআইনিভাবে জুয়া ও চোলাই মদ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানিয়েছি। স্থানীয় পুলিশ কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমাজের চরম ক্ষতি হচ্ছে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়বো।’ রাজ্য পুলিশের এক শীর্ষকর্তা পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এখন দেখার, পুলিশ আদৌ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা!
শুধুমাত্র বিরোধীরাই নয়, এর আগে চণ্ডীতলার তৃণমূল নেতা সুরজিৎ মণ্ডলও প্রকাশ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তারপরও অবশ্য পুলিশ বেআইনি কাজ বন্ধ করার কোনও চেষ্টায় করেনি।
ওই দুই থানারই সিআই সন্দীপ গঙ্গোপাধ্যায়। সন্দীপের অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।




