খবর লাইভ : কয়লা পাচার মামলার তদন্তে নেমে বাধার সম্মুখীন হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির অফিসাররা। তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অফিস ও ওই সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হন ইডির অফিসাররা। ওই ঘটনার পর অনেকটাই সতর্কতা অবলম্বন করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। এমতাবস্থায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বালি পাচার নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। ঠিক এই সময়েই হাওড়ার আমতায় দামোদর থেকে বালি ও মাটি পাচার নিয়ে ইডি দফতরে অভিযোগ জমা পড়ল।
দীর্ঘদিন ধরেই আমতার বেশ কিছু জায়গায় বালি মাফিয়ারা সক্রিয়। আমতার খোরোপ ও শিয়াগোরিতে দামোদর ও নিম্ন দামোদর থেকে বেআইনিভাবে বালি ও মাটি অন্যত্র পাচার হচ্ছে বলে স্থানীয়রা ইডি দফতরে চিঠি লিখে জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, রাতের অন্ধকারে খোরোপে দামোদর থেকে বালি তুলে অন্যত্র পাচার করছে মাফিয়ারা। অন্যদিকে, শিয়াগোরিতে নিম্ন দামোদর সংস্কারের নামে বিভিন্ন জায়গায় মাটি পাচার করা হচ্ছে। অবিলম্বে যাতে এই বেআইনি কাজ বন্ধ হয় তার আবেদনও করা হয়েছে।
ইডির এক তদন্তকারী অফিসার জানান, বালি পাচারের বেশ কয়েকটি অভিযোগ আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বালি ও মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে কাদের কাদের যোগাযোগ রয়েছে সেদিকটিও খতিয়ে দেখা হবে।



