Special News Special Reports State

নতুন ভোটারদের এবার শুধুই অনলাইনে আবেদন করতে হবে: নির্বাচন কমিশন

0
(0)

খবর লাইভ : নতুন প্রার্থীদের জন্য আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কারণ, অনলাইনে আবেদন জমা দিতে ‘ই‑সাইন’ ব্যবস্থার জন্য আধার নির্ধারিত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ওটিপি যাচাই হয়েছে।
গতকাল, ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে যারা প্রথমবার ভোটার হিসেবে নাম তুলতে চান, তারা ফর্ম-৬ অনলাইনের মাধ্যমে পূরণ করে আবেদন করবেন। আগে অফলাইন আবেদন করাও সম্ভব ছিল।

কমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৯ ডিসেম্বর রাজ্যে চলমান নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই নতুন আবেদনকারীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে পারবেন।

এছাড়া, কমিশন সতর্ক করেছে, যারা মৃত ব্যক্তির নামে (বা ভুল তথ্য দিয়ে) নতুন ভোটার এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মৃতের তথ্য সহ আবেদন রাখা একটি বড় অপরাধ বলে বোঝানো হয়েছে।

কেন এই পরিবর্তন?
• ভুয়ো আবেদন ও ভোটার তালিকা জালিয়াতি রোধ করতে নতুন ই-সাইন পদ্ধতি চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় আবেদনকারী ব্যক্তি আসল প্রার্থী কিনা।
• আধার-ভিত্তিক যাচাই ও ওটিপি যাচাইয়ের ফলে, অনলাইনে রেকর্ড করা তথ্য সঠিক ও স্বচ্ছ রাখা সম্ভব হবে।

ভোটারদের জন্য কী করতে হবে
• যারা এবার প্রথমবার ভোটার হতে চান, তারা এখন অনলাইনে — ফর্ম-৬ পূরণ করে আবেদন করবেন।
• আবেদন করার সময় আধার কার্ড প্রস্তুত রাখতে হবে এবং আধারে যুক্ত মোবাইল নম্বরে ওটিপি যাচাই করতে হবে।
• খসড়া ভোটার তালিকা (যা ৯ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে) — সেটি দেখে নিশ্চিত করতে হবে আপনার নাম সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে কি না।

এরই পাশাপাশি, কত জন মৃত ভোটারের আধার কার্ড রয়েছে, সেই তথ্য দিতে বলেছিল নির্বাচন কমিশন। তথ্য সহকারে নির্বাচন কমিশনের কাছে সবিস্তার রিপোর্ট জমা দিয়েছে ইউআইডিএআই বা আধার কার্ড সংস্থা। কমিশনের পক্ষ থেকে এখন সেই তথ্যকে জেলাভিত্তিক হিসাবে তৈরি করা হচ্ছে, যা পশ্চিমবঙ্গের ২৪টি জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে পাঠানো হবে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, যদি কেউ মৃত ভোটারের এনুমারেশান ফর্ম পূরণ করে জমা দেন, তা হলে তাঁকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। নয়তো কমিশন সংশ্লিষ্ট সেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিক থেকে শুরু করে বুথ স্তরের আধিকারিক— সকলের বিরুদ্ধেই আইনানুগ পদক্ষেপ করবে। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তির নাম আর কোনও মতেই ভোটার তালিকায় রাখতে চায় না কমিশন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *