খবর লাইভ : বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বুধবার ,১৯ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন। সকালে তিনি রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের হাতে নিজের পদত্যাগপত্র তুলে দেন। একই সঙ্গে এনডিএ বিধায়কদের সমর্থনপত্রও রাজ্যপালের কাছে জমা দিয়ে নতুন সরকার গঠনের দাবি জানান।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে জেডিইউ বিধায়ক দলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে নীতীশ কুমারকে পুনর্বার দলীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। পরে এনডিএ বিধায়ক দলের বৈঠকে বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে নীতীশ কুমারের নাম মুখ্যমন্ত্রী পদে প্রস্তাব করেন।
সূত্র জানিয়েছে, নতুন সরকারে সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় সিনহা, এই দুজনই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। বিজেপি বিধায়ক দল সম্রাট চৌধুরীকে দলের নেতা এবং বিজয় সিনহাকে উপনেতা হিসেবে নির্বাচন করেছে। একই সঙ্গে রাজ্যের স্পিকার পদও এবার বিজেপির হাতে আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার ২০ নভেম্বর পাটনার গান্ধী ময়দানে নীতীশ কুমারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চলছে জোর প্রস্তুতি। দশমবারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।
এক সিনিয়র এনডিএ নেতা জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভায় কিছু “অবাক উপাদান” থাকতে পারে, কারণ বড় ম্যান্ডেটের কারণে কাজের চাপ বেশি থাকবে। মন্ত্রিসভা হয়তো তরুণদের সঙ্গে অভিজ্ঞতার মিশ্রণ নিয়ে নতুন আঙ্গিকে আসবে।
জোটের মধ্যে মন্ত্রিপদ বন্টন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি ৬ জন বিধায়কের জন্য একটি মন্ত্রিপদ বরাদ্দ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে, আরএলএম এবং এইচএএম(এস) একটি করে মন্ত্রিপদ পাবে, এলজেপি(আরভি) তিনটি মন্ত্রিপদ পাবে, এবং বাকি ৩০-৩১টি পদ বিজেপি এবং জেডি(ইউ) ভাগ করে নেবে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ বিশাল ম্যান্ডেট নিয়ে বিজয়ী হয়েছে। এনডিএ ২৪৩ সদস্যবিশিষ্ট বিধানসভায় ২০২টি আসন পেয়েছে। এর মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ৮৯টি, জেডি(ইউ) ৮৫টি, এলজেপি(আরভি) ১৯টি, এইচএএম(এস) ৫টি এবং আরএলএম ৪টি আসন। মহাগঠবন্ধন, যার নেতৃত্বে ছিল আরজেডি এবং কংগ্রেস, ৩৫টি আসন পেয়েছে।




