খবর লাইভ : মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বিধানসভার অধ্যক্ষের সিদ্ধান্ত খারিজ কলকাতা হাইকোর্টের। মুকুল রায় বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন। সেই কারণে সংবিধানের ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দল পরিবর্তনের কারণে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ হয়েছে।
দীর্ঘ সময়ের পর অবশেষে শুভেন্দু অধিকারী ও অম্বিকা রায়ের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ হাইকোর্টের। দলত্যাগ বিরোধী আইনের সাপেক্ষেই মুকুল রায়কে সরাল আদালত। পাশাপাশি, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সিদ্ধান্ত খারিজ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বর রসিদির বেঞ্চে চলছি মুকুল-মামলার শুনানি। এই বিবাদের সূত্রপাত ২০২২ সাল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হন মুকুল। আর বছর ঘুরতেই তৃণমূলে ‘ঘর ওয়াপসি’ করেন বিজেপি বিধায়ক। এরপরই প্রশ্ন ওঠে তাঁর বিধায়ক পদ ঘিরে। একটা দলে ৩ বছর ৯ মাস কাটিয়ে, তাঁদের টিকিটে জিতে কীভাবে এই কাজ করতে পারেন মুকুল, প্রশ্ন তুলেছিল গেরুয়া শিবির। তবে প্রশ্ন তোলেননি শুভেন্দু। তিনি বলেছিলেন, ‘দলত্যাগ বিরোধী আইনটা আমার ভালই জানা রয়েছে।’
প্রথমে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয় বিজেপি। পাশাপাশি, মুকুল বিজেপি-তেই আছেন বলে সেই সময় বিধানসভা স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় যে রায় দিয়েছিলেন, তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা করেন বিরোধী দলনেতা। কিন্তু সেই মামলা প্রত্যাহার করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরিবর্তে পরামর্শ দেয় হাইকোর্টে দ্বারস্থ হওয়ার। এরপরই অধ্য়ক্ষের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। এদিন সেই মামলার রায় দিয়েছে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।




