খবর লাইভ : মাত্র ২৪ ঘন্টা বাকি বিহারের প্রথম দফার নির্বাচনের। তার আগে ভোট চুরির ইস্যুতে রাহুল গান্ধীর ‘হাইড্রোজেন বোমা’। একেবারে ২৫ লাখের বেশি ভোট চুরির অভিযোগে তোলপাড় দেশ। রাহুল গান্ধীর দাবির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, ৯০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে বর্তমানে হাইকোর্টে মাত্র ২২টি আসনের আবেদন বিচারাধীন রয়েছে। কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টরা ভোটকেন্দ্রে কী করেছেন? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।
বলা যেতে পারে, ভোট চুরি ইস্যুতে হাইড্রোজেন বোমা ফাটালেন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। হরিয়ানায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট চুরির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ এবং নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী হরিয়ানায় ভোট চুরির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ সামনে এনেছেন। নির্বাচন কমিশন এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সূত্রের খবর, কমিশন প্রশ্ন তুলেছে, কেন কংগ্রেস সেই সময়ে আপত্তি তোলেনি এবং কেন একই সঙ্গে ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে আপিল করা হয়নি। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৯০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে হাইকোর্টে বর্তমানে মাত্র ২২টি আবেদন বিচারাধীন। কংগ্রেস পোলিং এজেন্টরা ভোটকেন্দ্রে কী করেছেন ভোটের সময় তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।
রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন যে হরিয়ানায় নির্বাচন নয় বরং কমিশন ভোট চুরি করেছে। রাহুল দাবি করেছেন যে তিনি যে সমস্ত তথ্য থেকে এই দাবি করছেন সেগুলি সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকেই পেয়েছেন।
রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন যে হরিয়ানায় ২৫ লক্ষ ভোট চুরি হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, ৫২১,০০০-এরও বেশি নকল ভোটার পাওয়া গেছে।চুরি হওয়া ২৫ লক্ষ ভোটের অর্থ হল প্রতি আটজন ভোটারের মধ্যে একজন জাল। এই কারণেই কংগ্রেস সেখানে হেরেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিহারের ক্ষেত্রেও এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, “আমি ভারতের তরুণদের বলছি — এটা শুধুমাত্র একটি রাজ্য বা নির্বাচন নয়, এটি ভারতের গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। আমরা ১০০% প্রমাণসহ বলছি, কংগ্রেসের সম্ভাব্য জয়কে পরাজয়ে পরিণত করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।” রাহুল আরও বলেন, “আমাদের হাতে এমন তথ্য রয়েছে যেখানে একজন মহিলা দুটি ভোটকেন্দ্রে ২২৩ বার ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের উচিত এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া যে তিনি কতবার ভোট দিতে পেরেছেন। এটা শুধু নির্বাচনী জালিয়াতি নয়, এটা ভারতের গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত।”




