খবর লাইভ : ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে আক্রমণ চালিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর অপারেশন সিঁদুর অভিযানে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। এই অভিযানটি পহেলগাঁও হামলার প্রতিশোধ হিসেবে চালানো হয়েছিল, যেখানে ২৬ জন নিরীহ নাগরিক নিহত হয়েছিল। অপারেশন সিঁদুরের অধীনে, ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যে ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। এই হামলার মাধ্যমে ভারত তার আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে এবং পাকিস্তানকে শক্তিশালী বার্তা দিয়ে
অপারেশন সিঁদুরের অধীনে, ভারতীয় সেনাবাহিনী অত্যন্ত নিখুঁত ও সীমিত আক্রমণ চালিয়েছে। এই হামলার ফলে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছেছে। ভারতের এই পদক্ষেপ।আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।
ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলাকে এ বার থেকে ‘ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে যে বার্তা গেল, তা এই রকম যে, ভারত এখন থেকে যে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলার জবাব দেওয়ার জন্য সদাপ্রস্তুত থাকবে। সেই জবাব দেওয়ার সময় সরকারি-বেসরকারি পরিকাঠামোর মধ্যে আর ফারাক করা হবে না। যেখানে যখন আঘাত হানা উচিত মনে হবে, ভারত সেখানে তখনই আঘাত হানবে।
পাকিস্তান এখন চাপের মুখে দাঁড়িয়ে বার বার ‘শান্তি’র কথা বলছে। আলোচনার কথা বলছে। কিন্তু এমন ভাবার কোনও কারণ নেই যে, পাকিস্তান সত্যিই শান্তি চায়। সন্ত্রাসকে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা পাকিস্তান বন্ধ করবে না। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ বা অন্য নেতা-মন্ত্রীরা মুখে যা-ই বলুন, পাকিস্তানি রাষ্ট্র এখনও সন্ত্রাসবাদীদের সাহায্যই করে চলেছে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের কথাতেও তার আভাস মিলেছে।
ভুজের সামরিক ঘাঁটিতে গিয়ে তিনি যে ভাষণ দিয়েছেন, তা থেকে জানা গিয়েছে যে, পাকিস্তানের সরকার বহাওয়ালপুর ‘পুনর্গঠন’ করতে ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করছে। বহাওয়ালপুরে পাকিস্তান কী ‘পুনর্গঠন’ করবে? ভারতীয় বাহিনীর ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক’ বহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর গুঁড়িয়ে দিয়েছে। সে সব ইমারতের ধ্বংসাবশেষ গোটা পৃথিবী দেখেছে। ওটা যে জইশের ঘাঁটি ছিল, তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। কারণ, জইশের প্রধান মাসুদ আজহার নিজেই স্বীকার করেছেন, ভারতের প্রত্যাঘাতে তাঁর পরিবারের কতজন এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কতজনের প্রাণ গিয়েছে।
মাসুদের ঘাঁটিতে ভারতের আঘাতের জেরেই সে সব হয়েছে। বহাওয়ালপুরে অন্য কোনও কাঠামোয় ভারত আঘাত হানেনি। অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানও ধ্বংস হয়নি। তা হলে বহাওয়ালপুরে পাকিস্তানের সরকার যদি ‘পুনর্গঠন’ করার নামে অর্থ বরাদ্দ করে, সে অর্থ কার কাছে যাচ্ছে, তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।




