Special News Special Reports State

এখনও সন্তুর বেআইনি সাট্টার কারবার বন্ধ হয়নি চণ্ডীতলা এলাকায়, স্থানীয় লোকজনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তার বিরুদ্ধে

0
(0)

খবর লাইভ : ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও যেমন ধান ভাঙে বলে প্রবাদ রয়েছে তেমনই যতই বাধা আসুক না কেন বেআইনি কাজ থেকে নিজেকে কখনোই সরাতে রাজি নন সন্তু দাস। কে এই সন্তু? অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন। এই সেই সন্তু যার দাপটে কার্যত অসহায় অবস্থা হুগলির চণ্ডীতলা ও হরিপাল থানা এলাকার মানুষের। বেআইনি সাট্টা কারবারের মাফিয়া হিসেবে পরিচিত সন্তুর বেআইনি কাজ ইতিমধ্যেই বন্ধ করেছে হরিপাল থানা। তবে এখনও দাপটের সঙ্গে বেআইনি সাট্টার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে চণ্ডীতলা থানার আদানে। চণ্ডীতলা থানার মশাট, ভগবতীপুর, আঁইয়া, গোপালপুর সহ একাধিক জায়গাতে সন্তুর বেআইনি কারবার চললেও এই আদানই অবশ্য তার মূল ঘাঁটি। এখান থেকেই সে বেআইনি কারবারের সিন্ডিকেট চালায় বলে অভিযোগ। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে। তারপর অবশ্য ক্ষেপে লাল হয়ে গেছে সন্তু। এলাকার লোকজনকে শায়েস্তা করতে বাইরে থেকে দুষ্কৃতীদের এনে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। একইভাবে হরিপাল থানার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সন্তুর বেআইনি কারবার চললেও পুলিশ অবশ্য ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু এখনও চণ্ডীতলা থানা এলাকা জুড়ে তার বেআইনি কারবার রমরমিয়ে চলছে। যার জেরে চণ্ডীতলা থানার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় লোকজন প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি বিজেপির পক্ষ থেকেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘অবিলম্বে পুলিশের উচিত এই বেআইনি কারবার বন্ধ করা।’
নবান্নের এক কর্তা বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জেলা পুলিশকে জানাবো। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলব।’
সূত্রের খবর, হুগলি জেলার কুখ্যাত দুষ্কৃতী রমেশ মাহাতোর সঙ্গে যৌথভাবে হরিপাল একটি মদের দোকানও রয়েছে সাট্টা মাফিয়া সন্তুর।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *