খবর লাইভ: আর জি কর কাণ্ডে যখন তোলপাড় গোটা দেশ তখন বারে বারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সোচ্চার সমাজের একটা বড় অংশ। পুলিশের বিরুদ্ধে আর জি কর নিয়ে চলতে থাকা আন্দোলন দমানোর চেষ্টার অভিযোগ যেমন বার বার উঠছে তেমনই পুলিশের কিছু কাজ যা বিড়ম্বনা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে অসামাজিক কাজ বন্ধে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ বারংবার উঠেছে। এবার হুগলির ডানকুনি থানার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় লোকজন। ডানকুনির দিল্লি রোডের আশপাশে থাকা হোটেলগুলোয় বেআইনি কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। হোটেলগুলোয় বেআইনিভাবে দেশি-বিদেশি মদ বিক্রি হচ্ছে। পুলিশের একাংশের মদতেই বেআইনিভাবে মদ বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ। ওই হোটেলগুলোতে দিন দিন অসামাজিক কাজে লিপ্ত যুবকেরা ভিড় করছে। এতে অপরাধ বাড়ার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন স্থানীয় লোকজন। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ জানিয়ে বেআইনিভাবে মদ বিক্রি বন্ধের অনুরোধ করেছেন তাঁরা। ডানকুনি থানার ডাকবাবুর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, ‘ডানকুনি থানার ডাক মাস্টারের হাতে ও গলায় সোনার গয়নায় ভর্তি। কোথা থেকে এলো এতো গয়না তা তদন্ত করলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। ডানকুনি এলাকায় বেআইনি মদের কারবারে ছেয়ে গেছে। অবিলম্বে এর বন্ধ হওয়া উচিত।’
নবান্নের এক প্রশাসনিক কর্তা বেআইনিভাবে মদ বিক্রি বন্ধের আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি ডাক মাস্টারের ভূমিকাও গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন।
ডানকুনি থানার ডাক মাস্টারের অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।



