খবর লাইভ : শুক্রবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনায় একজন কে গ্রেফতার করা হয়েছে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার কে। যার নাম সঞ্জয় রায়। আর তাঁর এই কীর্তি প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁর সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করলেন সঞ্জয়ের দিদি। শুধু তা-ই নয়, এই ঘটনায় তাঁর ভাইয়ের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তিনি। জানা গেছে ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ারের দিদিও একজন পুলিশকর্মী।
শুক্রবার ওই নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতারের পরেও বিক্ষোভ থামেনি জুনিওর ডাক্তারদের। তাঁদের দাবি এই আগামী দিনে তাঁদের নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। একইসাথে ওই নৃশংস খুনের ঘটনায় আরও অনেক জড়িয়ে থাকতে পারে সেক্ষেত্রে দ্রুত তাঁদের গ্রেফতার করতে হবে। যদিও শুক্রবার রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর পর থেকেই তাঁর চরম শাস্তির দাবি উঠছে রাজ্য জুড়ে। একই সাথে ফাঁসির দাবি তে সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। পাশাপাশি এনকাউন্টারের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের শাসক দল তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, ধৃত সঞ্জয়ের পাঁচটি বিয়ের পাশাপাশি, পরিবারে রয়েছে মা ও দুই দিদি। দুজনেই পুলিশে কর্মরত। আর ভাই সঞ্জয় খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁর দিদি জানান, ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান। পাশাপাশি সরকার এবং প্রশাসনের কাছে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনি। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রথম থেকেই খুব বদ মেজাজি ছিলেন সঞ্জয়। তাই পাড়া প্রতিবেশীর সঙ্গেও খুব একটা ভালো সম্পর্ক নেই সঞ্জয়ের। এছাড়াও একাধিক ব্যাক্তির কাছ থেকে টাকাও ধার নিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ একাধিক কু-কর্মের অভিযোগ রয়েছে এই ধৃত সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে।




