খবর লাইভ : শনিবার থেকেই থমথমে পরিবেশ বাংলাদেশ জুড়ে। নতুন করে অশান্তির কারণে পড়শি দেশ কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। শনিবারই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ডাকা বিক্ষোভের জেরে একাধিক জায়গায় শুরু হয়েছে সংঘর্ষ। রবিবার থেকেই অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। এই বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ডাকা বিক্ষোভ ঘিরে একাধিক জায়গায় সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। তাতে মৃত্যু হয়েছে আরও দু’জনের। এখনো পর্যন্ত সংখ্যা ৫২। আহত শতাধিক।
আরও পড়ুনঃ প্যারিস অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে ভারতের হকি দল
তবে বাংলাদেশের পড়ুয়াদের দাবি একটাই, শেখ হাসিনা সরকারের অপসারণ। নারায়ণগঞ্জের কায়েমপুর এলাকায় রবিবার সকালে অন্তত তিনটি পোশাক কারখানায় ভাঙচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। ফলে কারখানার পাশাপাশি আশপাশের সব কারখানা ছুটি দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শয়ে শয়ে পড়ুয়া চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যায় এবং রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এরপর চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য এবং কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ৷ প্রায় তিন ঘণ্টার এই বৈঠকে শিক্ষকরা অশুভ শক্তির হাত থেকে ছাত্রদের বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন ৷ উল্লেখ্য, বিতর্কিত সংরক্ষণ ব্যবস্থা অবসানের দাবিতে ছাত্রদের বিক্ষোভে দিনকয়েক আগেই বাংলাদেশে প্রায় ২০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ৷ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে লড়াই করা প্রবীণদের আত্মীয়দের জন্য ৩০ শতাংশ সরকারি চাকরি এতদিন সংরক্ষিত ছিল । তারই প্রতিবাদে দানা বাঁধে ছাত্র আন্দোলন ৷




