খবর লাইভ : সিপিএম নেতা শতরূপের ২২ লক্ষ টাকা দামের একটি গাড়ি কেনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্য তৃণমূলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ । কুণালকে জবাব দিতে সিপিএমের রাজ্য দফতরে বসে সাংবাদিক বৈঠক করে গাড়ি কেনার টাকার উৎস জানিয়েছিলেন শতরূপ। অভিযোগ, সেই সাংবাদিক বৈঠকেই কুণালের উদ্দেশে বেশ কিছু ‘তির্যক’ মন্তব্য করেছিলেন তিনি। শতরূপের সেই মন্তব্য নিয়েই কুণাল আদালতে মানহানির মামলা করেছিলেন সেলিম ও বিমানের ইন্ধনের অভিযোগ তুলে।
কুণাল এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফরসঙ্গী হিসাবে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে রয়েছেন। সেখান থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘‘সিপিএমের ২২ লাখি কমরেড আমার বিরুদ্ধে কুরুচিকর আক্রমণ শানিয়েছিলেন। এটা সিপিএমের একটা স্টাইল। যখন যুক্তিতে পারেন না, তখন ব্যক্তিগত কুৎসা করেন। আর এই চার আনার নেতাকে মদত দিয়েছিলেন বিমান, সেলিমরা। আজ তিন জনকেই কোর্টে হাজিরা দিতে হয়েছে।’’
উল্লেখ্য, সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষের গাড়ি নিয়ে কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন, ২০২১ সালে নির্বাচনী হলফনামায় যেখানে মাত্র ২ লক্ষ টাকা সম্পত্তি দেখিয়েছিলেন শতরূপ, সেখানে মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে ২০২৩ সালে কীভাবে ২২ লাখি গাড়ির মালিক হলেন তিনি। সিপিএমের হোলটাইমার হয়ে এত দামি গাড়ি চড়াটা কি নীতিবিরুদ্ধ নয়? কুণালের সেই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে প্রেস কনফারেন্স করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন শতরূপ। তাঁর কথায়, “আমার বাবা আছে। সবার বাবা থাকে। তাঁরা গিফটও দেন। আশা করি কুণালবাবুরও ছিলেন, যদি না উনি টেস্ট টিউব বেবি হয়ে থাকেন।” শুধু তাই নয়, কুণাল ঘোষের বেনামি ভাই থাকতে পারে বলেও কটাক্ষ করেছিলেন।
সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সেলিম বলেন, ‘‘যাঁর মান নেই তাঁর আবার মানহানি কী? আমরা কখনওই বলিনি কোর্টে যাব না। যাঁরা গরু, কয়লা, চিটফান্ডের টাকা লুট করেছে, তারা এ সব এড়িয়ে যায়। তবে আজ কোর্টে গিয়ে দেখলাম, যিনি অভিযোগকারী তিনিও নেই, আবার তাঁর উকিলও বিষয়টা সম্পর্কে জানেন না। যে কারণে সেই আইনজীবীর প্রতি উষ্মাপ্রকাশ করেন বিচারক।’’




