খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও রাজ্য সংগীত নিয়ে বৃহস্পতিবার বিধানসভার অধিবেশনে প্রস্তাব আনল সরকার। পয়লা বৈশাখের দিনই পালিত হবে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’, বিধানসভায় এদিন সাফ জানিয় দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’-কে রাজ্য সংগীত হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যসহ সরকার পক্ষের তরফে ১১ জন বিধায়ক বিধানসভার কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ দিবস এবং রাজ্য সঙ্গীত নিয়ে প্রস্তাব পেশ করেন। সম্প্রতি ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’-এর দিনক্ষণ ঠিক করতে নবান্ন সভাঘরে বিদ্বজ্জনদের উপস্থিতিতে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএমের মতো প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন না।
সেই বৈঠকে উপস্থিতি অধিকাংশ প্রতিনিধি ‘পয়লা বৈশাখ’-কেই পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করার পক্ষে মত দেন। একইসঙ্গে ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’-কে রাজ্য সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই মতো এদিন বিধান প্রস্তাব আনা হয়। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের অনুমতি নিয়ে ‘পয়লা বৈশাখ’-কে পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’-কে রাজ্য সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব পেশ করেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। প্রস্তাব পেশের সময় অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিধায়ক সংখ্যার নিরিখ সহজেই তৃণমূল সরকার এই প্রস্তাব পাশ করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর তা পাশ হলে সই করার জন্য রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হবে।
প্রস্তাব পেশের পর আলোচনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই হইচই শুরু করেন বিরোধী দল বিজেপির বিধায়করা। নিজের বক্তব্যে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বিজেপি বিধায়কদের দাবি, ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে খাটো করে দেখান হচ্ছে। সরকারের আনা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও।




