খবর লাইভ : চব্বিশে গরিষ্ঠতা হারাচ্ছে বিজেপি! দলীয় রিপোর্টেই নার্ভাস কেন্দ্রীয়
নেতৃত্ব, শুরু ড্যামেজ কন্ট্রোল।রেকর্ড আসনে জয় দূর অস্ত! বরং ২০২৪’এ বিজেপির গরিষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কাই চরমে। খোদ দলীয় রিপোর্টে ইঙ্গিত, ২০১৯ সালে জেতা বহু আসন হাতছাড়া হতে পারে আগামী লোকসভা ভোটে। ফলে ব্যাপক নার্ভাস গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। মরিয়া হয়ে তড়িঘড়ি বিকল্প খুঁজতেও নেমে পড়েছে তারা। মঙ্গলবার দিল্লির সদরদপ্তরে প্রথম সারির নেতামন্ত্রীদের নিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোল বৈঠকে বসেন অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। সেখানে প্রত্যেককে নির্দিষ্ট টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে জিতেছিল ৩০৩টি আসন। এনডিএ-র মোট আসন সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫১-এ। ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধীর পর এরকম বিপুল আসন নিয়ে কেন্দ্রে সরকার গঠন করেন একমাত্র নরেন্দ্র মোদি। লোকসভার ম্যাজিক ফিগার ২৭২। সুতরাং এনডিএ শরিকদের ছাড়াই ২০১৪ এবং ২০১৯, দু’বারই এককভাবে সরকার গড়ার মতো আসন লাভ করেছিল বিজেপি। কিন্তু এবার তারা সম্পূর্ণ উল্টো আতঙ্কে ভুগছে। তাই দলীয় রিপোর্ট হাতে আসতেই দলের রণকৌশল হিসেবে নতুন করে প্রায় দেড়শো আসন চিহ্নিত করা হচ্ছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলিকে পাখির চোখ করে জয়ের জন্য ঝাঁপাতে হবে। একে বলা হচ্ছে ভারসাম্যের সমীকরণ! অর্থাৎ যত আসন হাতছাড়া হবে, সেই ক্ষতি পূরণ করবে নতুনভাবে জয় করা কেন্দ্র। তবে দখলে থাকা কত আসন কমবে, তার কোনও আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছে না।
এর অন্যতম কারণ, ২০১৯ সালে বেশ কিছু রাজ্যে বিজেপি এত বেশি আসন পেয়ে গিয়েছে যে, তারপর আর সেখানে বৃদ্ধির জায়গাই নেই। বরং, কমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অন্তত বিগত তিন বছরের বিধানসভা অথবা অন্য নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি দেখে সেরকমই মনে করা হচ্ছে। তাই এমন দেড়শো আসন বাছাই করা হচ্ছে, যেগুলিতে বিজেপির জয়ের মৃদু সম্ভাবনা আছে। কিংবা ভোটব্যাঙ্ক ও সংগঠন থাকা সত্ত্বেও দল কোনওদিন জেতেনি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে গত দু’বারের লোকসভা ভোটে স্বল্প ব্যবধানে পরাস্ত হয়েছেন গেরুয়া প্রার্থী। অর্থাৎ, এখন গরিষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কায় এই হাতছাড়া আসনগুলিকেই ভরসা করছে মোদি-শাহের দল। আসনগুলিকে পৃথক ক্লাস্টারে ভাগ করা হয়েছে। বাছাই করা নেতামন্ত্রীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরির। দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তাঁরা প্রাথমিক রিপোর্ট দিয়েছেন। আগামী দিনে আবার ওই নেতামন্ত্রীরা দফায় দফায় ওই সব কেন্দ্রে যাবেন।
সূত্রের দাবি, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাবের উপর বেশি জোর দিচ্ছে বিজেপি। ক্ষীণ আশা, যদি কিছু আসন মেলে। কারণ, রীতিমতো টেনশনে রেখেছে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে ২০২৪ সালে জেতা আসন হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা। সবথেকে বড় সঙ্কট, এখন আর অনেক আসন নিয়ে এনডিএতে আসার মতো শরিক নেই। সুতরাং একক গরিষ্ঠতা না পাওয়ার অর্থ, কেন্দ্রে সরকার গড়তে আঞ্চলিক দলের কাছে নতজানু হওয়া। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার রাজ্যে রাজ্যে বিরোধী সরকার দখলে মরিয়া বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন ঝাড়খণ্ড কংগ্রেসের সভাপতি রাজেশ ঠাকুর। বলেছেন, বিজেপি যে ভোটে লড়তে নার্ভাস, এই প্রবণতা থেকেই স্পষ্ট। তাই রাজ্যে রাজ্যে ছেলেধরার মতো বিধায়ক ধরতে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…