খবর লাইভ : রেসা মে ও মার্গারেট থ্যাচারের পরে তৃতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট দখল করলেন তিনি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ঋষি সুনক-কে প্রায় ৮০- হাজারেরও বেশি ভোটে হারালেন তিনি।
বরিস জনসন পদত্যাগ ঘোষণা করার পর জুলাই মাস থেকে লড়াইের শুরু হয়। লড়াইের প্রধান দুই প্রতিযোগী ব্রিটেনের প্রাক্তন চ্যান্সেলর এবং কোষাগারের প্রধান সচিব ঋষি সুনক এবং ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী লিজ ট্রাস।গত শুক্রবারই ডাক ও অনলাইন দুই পদ্ধতিতে শেষ হয়েছে ভোটাভুটি।
আরও পড়ুনঃ হাওড়া-বর্ধমান শাখায় কার্যত স্তব্ধ লোকাল ট্রেন চলাচল !
জনসন পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে দলের অন্দরেই নতুন প্রধানমন্ত্রী খোঁজার প্রক্রিয়া শুরু করে দেয় কনজারভেটিভ পার্টি। রাজনৈতিক মহলের কথায়, প্রথম থেকেই অনেকটা এগিয়ে ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পছন্দের প্রার্থী লিজ ট্রাস। শেষ বেশ কিছু মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে দুই পদপ্রার্থীই লাগাতার প্রচার চালিয়েছেন বিভিন্ন বিষয়কে সামনে রেখে।ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে ব্রিটেনের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সংকটের মধ্যে রয়েছেন, যা এই ভোটে বড় ভূমিকা পালন করে। নির্বাচনী প্রচারে লিজ ট্রাস বলেছিলেন, জিতলে তিনি অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য কঠোর সিদ্ধান্ত নেবেন।




