খবর লাইভ : পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশের আসনে বসতেন। কিন্তু এখন সেই সোনালি দিন অতীত। সেপ্টেম্বর মাসের অল্প সময়ের অধিবেশনে ওই আসনে কাউকে বসতে দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার রদবদলে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দল থেকেও সরানো হয়েছে। পরিষদীয় মন্ত্রীও তিনি এখন নন। তাই বিধানসভায় বিধায়কদের বসার ব্যবস্থা নতুন করে সাজানো হয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশের আসনটি কারও জন্য বরাদ্দ করা হয়নি।
বিধানসভা সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশের আসনটিতে কে বসবে সেটা এখনও ঠিক হয়নি। আগে শোনা গিয়েছিল, ওই আসনটিতে বসবেন ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু সম্প্রতি তাঁকে নিয়েও বিতর্ক তৈরি হওয়ায় সেটি হচ্ছে না। তাই এখনও পর্যন্ত আসনটি কাউকে দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে কাকে দেওয়া হবে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুনঃ অভিষেককে ইডির তলব নিয়ে প্রশ্নে ‘ক্ষুব্ধ’ অনুব্রতর মন্তব্য, নাচব! নাচব নাকি ডেকেছে বলে?
পার্থের পরিষদীয় দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ফিরহাদ বা শোভনদেব কাউকেই এই আসনটি দেওয়া হচ্ছে না। মনে করা যাচ্ছে, এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড় ভাবনা রয়েছে।
বিধানসভায় আসনের বিন্যাস কেমন? এবার অল্প সময়ের অধিবেশনে ওই আসনে কাউকে বসতে দেওয়া হবে না। এটাই আপাতত সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে কাউকে ভাবা যেতে পারে। বিধানসভায় তিনজনের পাশের আসন কাউকে দেওয়া হয় না। তাঁরা হলেন মুখ্যমন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার এবং মুখ্য সচেতক। তাই মুখ্যমন্ত্রীর পাশের আসন খালিই থাকত। ঠিক তার পরের আসনে বসতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।




