Special News Special Reports State

গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আব্দুল লতিফের হদিশ পেতে মরিয়া সিবিআই

0
(0)

খবর লাইভ : গরু পাচার কাণ্ডে অন্যতম মাথা আব্দুল লতিফ। তিনি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলে সিবিআইয়ের দাবি। এমনকী সিবিআইয়ের সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটেও নাম রয়েছে আব্দুল লতিফের। কিন্তু তাঁর নাগাল পাননি সিবিআই আধিকারিকরা। এই আব্দুল লতিফ বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন কিনা তা নিয়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সিবিআইয়ের স্ক্যানারে থাকা বীরভূমের আরও দু’‌একজন গরু ব্যবসায়ীও লতিফের পথে হাঁটতে পারেন বলে মনে করছেন তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

আরও পড়ুনঃ ‘কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ’ পুরকর্মীর বাড়িতে আচমকা তল্লাশি সিবিআইয়ের

গত ৮ অগাস্ট গরু পাচার মামলায় যে তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে ইলামবাজার ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল লতিফের নাম। তাঁর গরু পাচারের টাকা একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে পৌঁছেছে বলে চার্জশিটে দাবি করেছে সিবিআই। এনামুল–সায়গল হোসেনের কাছ থেকেও নাম পাওয়া গিয়েছে আব্দুল লতিফের। তাই হন্যে হয়ে মূলচক্রীকে খুঁজছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

সিবিআইয়ের দাবি, বীরভূমের দু’টি পশুর হাট থেকে গরু পাচার চলত। তবে ইলামবাজারের সুখবাজার পশুহাট থেকে এই পাচারের কাজ বেশি হতো। এমনকী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু আসত ওই হাটে। এখান থেকে গরু কিনে পড়শি বাংলাদেশে পাচার হয়ে যেত। কোটি টাকার কারবার করে ফেলতেন আবদুল লতিফ। এই লতিফের প্রাসাদোপম বাড়ি সুখবাজারে। যদিও এখন কোনও খোঁজ নেই লতিফের। তিনি বাংলাদেশে গা–ঢাকা দিয়েছেন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
সিবিআইয়ের সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম গরু পাচারের সেফ করিডর। তাই গরু কারবারিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বাংলাদেশের কারবারিদের। ওপার থেকে বীরভূমে এসে জেলার কারবারিদের সঙ্গে চুক্তি করে যায় তারা। ২০১৩ সাল থেকে আবদুল লতিফের সঙ্গে পদ্মাপারের কারবারিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হতেই আব্দুল লতিফও ওপারে চলে গিয়ে গা–ঢাকা দিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *