খবর লাইভ : ফল আগে থেকে প্রায় স্পষ্টই ছিল। সংশয় প্রায় ছিল না বলেই চলে। সব সংশয়কে দূরে সরিয়ে দেশের ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেন শাসক দলের প্রার্থী জগদীপ ধনকড়। তিনি পেয়েছেন ৫২৮ ভোট। অন্য দিকে, বিরোধীদের প্রার্থী মার্গারেট আলভা পেয়েছেন ১২৮ ভোট। ১৫টি ভোট বাতিল করা হয়েছে৷
শনিবার ছিল উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এ দিনের ভোট দান নিয়ে খুব একটা জল্পনা ছিল না। বাংলার নজর ছিল কেবল দুই তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারী ভোট দেন কি না। কারণ, তাঁরা যে দলের সাংসদ, সেই তৃণমূল কংগ্রেস ভোট দান থেকে বিরত রয়েছে। কিন্তু, দলীয় চিঠি-নির্দেশ সব অগ্রাহ্য করেই এ দিন ভোট দেন তৃণমূলের দুই সাংসদ। তার পর স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছে তাঁদের অবস্থান নিয়ে জল্পনা।
আইনজীবী হিসাবে পেশাদার জীবন শুরু করলেও এক কালে তা ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়েছিলেন ধনকড়। হয়েছেন বিধায়ক থেকে সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। ৭১ বছরের ধনকড়ের জন্ম, ১৯৫১ সালের ১৮ মে। রাজস্থানের এক জাঠ কৃষকের পরিবারে। সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশের আগে আইনকেই পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন কিঠানা গ্রামের এই ছেলেটি। চিত্তৌরগড়ের সৈনিক স্কুলের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাও করেছেন নিজের রাজ্যে। রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা। এককালে রাজস্থান হাই কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিও নির্বাচিত হয়েছিলেন। জনতা দল থেকে বিজেপিতে যোগদানের আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসাবে দেখা গিয়েছে তাঁকে। বিধায়ক হওয়ার আগেই সাংসদ হয়েছিলেন ধনকড়।
ধনকড়ের প্রথম রাজনৈতিক দল ছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরের জনতা দল। ১৯৮৯ থেকে ’৯১ পর্যন্ত জনতা দলের টিকিটেই নবম লোকসভায় প্রবেশ। সে বার রাজস্থানের ঝুনঝুনু লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন। লোকসভার পর রাজস্থানের কিসানগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হন ধনকড়। সময়টা ছিল ১৯৯৩-’৯৮। রাজস্থানের দশম বিধানসভার মেয়াদ শেষে আবারও সংসদের পথে এগিয়েছিলেন ধনকড়। ১৯৯০ থেকে ’৯১ সালে চন্দ্রশেখর সরকারের সংসদীয় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। জনতা দল ছেড়ে এক সময় বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন ধনকড়। ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।
২০১৯-এর জুলাইয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ধনকড়ের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছে নবান্ন। একাধিক বিষয়ে, অজস্র বার রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন ধনখড়। বার বার রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের ডেকে পাঠিয়েছেন রাজভবনে। পাল্টা কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে নবান্ন থেকেও। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী ধনকড়কে টুইটারে ব্লকও করে দেন। যদিও সেই রাগারাগি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। সম্প্রতি জিটিএ চেয়ারম্যানের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে দার্জিলিঙে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল। ঘটনাচক্রে সেই সময় পাহাড়েই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দার্জিলিঙের রাজভবনে রাজ্যপাল তাঁকে ডেকে চা-বিস্কুট খাইয়েছিলেন। আর আজ যখন দেশের ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে জগদীপ ধনকড় জয়ী হলেন, তখনও দিল্লিতেই রয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…