Special News Special Reports

নামী রেস্টুরেন্টে মদ বিক্রি হচ্ছে, বিচিত্র ঘটনার সাক্ষী থাকলেন পুলিশকর্তা

0
(0)

খবর লাইভ : রেস্টুরেন্টের আড়ালেই চলছে বেআইনিভাবে মদ বিক্রি। নামকরা রেস্টুরেন্টে পরিবার নিয়ে অনেকেই খেতে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। কিন্তু সেই রেস্টুরেন্টেই যদি পরিবারের সকলের সামনেই অপ্রীতিকর দৃশ্যের সম্মুখীন হতে হয় তখন তো মাথায় হাত পড়বেই। এমনই ঘটনারই সাক্ষী থাকলেন রাজ্য পুলিশের এক প্রাক্তন পুলিশকর্তা। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির হরিপাল থানার গোপীনগরের রূপসী বাংলা রেস্টুরেন্টে। তারকেশ্বর থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ঝাঁ চকচকে ওই রেস্টুরেন্টে সপরিবারে খেতে ঢুকেছিলেন ওই প্রাক্তন পুলিশকর্তা। তাঁরা জানতেন ওই রেস্টুরেন্টে শুধুমাত্র খাবারই পাওয়া যায়। তাঁদের পাশাপাশি সকলেই জানেন ওই রেস্টুরেন্টে মদ বিক্রি করা হয় না। কিন্তু সেখানে প্রবেশ করার পরই তাঁদের সেই ভুল ভাঙে। একই ঘটনা ঘটেছে প্রাক্তন পুলিশকর্তার সঙ্গেও। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যখন খাচ্ছিলেন সেই সময় তাঁর পাশের টেবিলেই চার যুবক মদ্যপান করছিলেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি তাঁরা নিজেদের মধ্যে গালিগালাজও করছিলেন বলে অভিযোগ। পারিবারিক রেস্টুরেন্ট বলে উল্লেখ করা জায়গায় কিভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে তা ভেবে অবাক হয়ে যান ওই পুলিশকর্তা। তিনি তড়িঘড়ি সেখান থেকে উঠে বাইরে চলে যান। ওই পুলিশকর্তা জানান, এক বন্ধুর পরামর্শে ওই রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে দেখলাম দেদার মদ বিক্রি হচ্ছে। বহু মানুষই এই দৃশ্য দেখে সেখান থেকে চলে যান। রূপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষও মদ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে নেন। প্রশ্ন উঠেছে রেস্টুরেন্টে কিভাবে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে এভাবে দিনের পর দিন বেআইনিভাবে মদ বিক্রি হচ্ছে? ওই রেস্টুরেন্টে কর্মরত এক মহিলা বলেন, ‘মদ বিক্রি হয়। তবে আপনি সামনাসামনি দেখা করলে ভাল হতো।’

আরও পড়ুন- খানাকুলে একাধিক অনুষ্ঠানে অপরূপা পোদ্দার

এলাকার লোকজনও রূপসী বাংলা নামে ওই রেস্টুরেন্টের এহেন দোষ নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তাঁদের দাবি, এভাবে দিনের পর দিন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে চলেছে ওই রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ। এই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসন ব্যবস্থা নিক। হুগলি জেলা পুলিশের কর্তা বলেন, ‘আমরা বিষয়টি দেখছি, অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হুগলির বিধায়ক করবী মান্না প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন তাঁর এলাকায় যেন কোনও রকম বেআইনি কাজ না হয়। তারপরেও এধরনের কাজ হওয়ায় বিধায়ক যে বেশ ক্ষুব্ধ হবেন তা বলাই বাহুল্য।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *