খবর লাইভ : নির্বাচনে জিতে গেলেও খাতায়কলমে এখনও বিধায়ক হতে পারেননি। তৃণমূলের অভিযোগ অনুযায়ী, বিধায়ক পদে বাবুল সুপ্রিয়ের শপথ আটকে রয়েছে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের ‘রচিত’ জটিলতায়। সেই টানাপড়েনের মধ্যেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুলের প্রাক্তন আপ্তসহায়ক সুশান্ত মল্লিকের নাম জড়িয়ে গেল টেন্ডার দুর্নীতিতে। সোমবারই প্রকাশ্যে এসেছে সুশান্তের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের অভিযোগ। প্রাক্তন আপ্তসহায়কের সঙ্গে ইদানীং আর তাঁর যোগাযোগ নেই বলেই সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন বাবুল। পাশাপাশি বলেছেন, ‘‘জানতাম, এটা করা হবে।’’ কিন্তু তবু সম্ভবত ‘অস্বস্তি’ থেকেই যাচ্ছে তাঁর। যেমন রয়েছে দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ থেকে ভোটে জিতেও ‘বিধায়ক’ হতে না-পারার অস্বস্তি।
আরও পড়ুন- কবিগুরুর নোবেল উদ্ধার হল না, আক্ষেপ মমতার
রবীন্দ্রসঙ্গীত-প্রিয় বাবুলের কাছে পঁচিশে বৈশাখ দিনটা আলাদা হওয়ার কথা। কেন্দ্রের মন্ত্রী থাকার সময় এই দিনে কোনও না কোনও অনুষ্ঠানে দেখা যেত তাঁকে। কখনও কখনও রবীন্দ্রনাথের গানও গেয়েছেন কবি-জয়ন্তীতে। কিন্তু এ বার কবির জন্মদিনের সকাল থেকেই বাবুল খবরে সম্পূর্ণ দুই অন্য কারণে। রাজ্যপাল নানা ভাবে শপথে বাধা তৈরি করছেন বলে আগেই অভিযোগ তুলেছেন বাবুল। তুলেছে তাঁর দল তৃণমূলও। বস্তুত, মাঝখানে ধনখড়কে উদ্দেশ্য করে বাবুল একটি টুইটও করেছিলেন। তাতে তাঁর ‘সুর নরম’ বলে একাংশের ব্যাখ্যা ছিল। যদিও তৃণমূলের অন্য একাংশ বলেছিলেন, বাবুল মোটেই সুর নরম করেননি। শুধু বিনীত ভাবে রাজ্যপালকে তাঁর দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। বিষয়টি যে রাজ্যপালের হাতেই, তা স্পষ্ট। বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার সকালে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে বাবুলের শপথ বিতর্ক নিয়ে বলেন, ‘‘এই বিষয়টা তো আমার হাতে নেই। এই বিষয়টি মহামহিম রাজ্যপালের হাতে। পরিষদীয় দফতরের হাতে। আমি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না।’’




