Special News Special Reports

চাকরি দেওয়ার নামে সাড়ে ১২ লাখ টাকা নেন বিধায়ক, ভাগ্নের তোপেও তাপস সাহা

0
(0)

খবর লাইভ : চাকরি দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ আগেই উঠেছিল তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে। এ বার প্রকাশ্যে এল, প্রতারিতদের তালিকায় রয়েছেন তাপসের এক ভাগ্নে। শুধু তাই নয়, চাকরি পেতে তাপসকে টাকা দিয়েছিলেন তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি কল্লোল খাঁর জামাইও। শুক্রবার রাতেই তাপসের আপ্তসহায়ক প্রবীর কয়াল-সহ তিন জন গ্রেফতার হয়েছেন আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে। তার পরেই জানা যাচ্ছে, প্রতারিতদের তালিকায় রয়েছেন অনেক তৃণমূল নেতার আত্মীয়েরাও। তাপস যদিও শনিবার এই অভিযোগ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
নিজেকে তাপসের ভাগ্নে পরিচয় দিয়ে ‘মামা’র বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন নদিয়ার দইয়েরবাজার এলাকার বাসিন্দা শুভ সাহা। স্থানীয়দের দাবি, শুভর মা ঝর্না সাহা সম্পর্কে তাপসের খুড়তুতো বোন। ‘মামা’র বিরুদ্ধে খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছেন শুভ। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘২০১৬ সালে তাপস সাহা পলাশিপাড়ার বিধায়ক থাকাকালীন চাকরি দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। সাত বছর পেরিয়ে গেলেও চাকরি অথবা টাকা কোনওটাই পাইনি। এখন আমার নিদারুণ দারিদ্রে দিন কাটছে। বাবা এবং মা অসুস্থ। চিকিৎসাও করাতে পারছি না। আমাকে এবং আমার পরিবারকে বাঁচান।’

আরও পড়ুন- ড্যামেজ কন্ট্রোল, শনিবার রাতেই পীযূষ ও অর্জুনকে মুখোমুখি বসার নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের!

শুধু তাপসের ভাগ্নেই নয়, তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি কল্লোলের ভাই হিল্লোল খাঁর জামাই সৌম্য নন্দীও অভিযোগ করেছেন তাপস এবং তাঁর আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে। সৌম্য নদিয়া জেলার নাকাশিপাড়ার বারবোরা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর মা চায়না নন্দী দীর্ঘ দিনের পঞ্চায়েত সদস্য। একই সঙ্গে কল্লোলের পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কও হয়েছে সৌম্যের। সেই সূত্রেই তিনি তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা নাকাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক কল্লোলকে বরাবর ‘জেঠু’ বলেই ডাকেন। পাশাপাশি তিনি নিজেও দলের নানা দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *