খবর লাইভ : জগৎবল্লভপুর আছে জগৎবল্লভপুরেই। বেআইনি মাটি কাটা, নদী থেকে বালি তোলা, সরকারি জায়গা দখল করে বেআইনি নির্মাণ, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা চাওয়া সহ ভুরিভুরি অভিযোগ আগেই ছিল, এবার নবতম সংযোজন পুকুর ভরাট করে বেআইনি নির্মাণ। খোদ পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের মদতেই পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠল। আর এই বিষয় প্রকাশ্যে আসতেই জগৎবল্লভপুরের প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
আরও পড়ুন- সিন্ডিকেট বিবাদ, ভরদুপুরে কলকাতার রাস্তায় চলল গুলি
দীর্ঘদিন ধরেই হাওড়ার জগৎবল্লভপুর বিধানসভার জগৎবল্লভপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ও বড়গাছিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একের পর এক সরকারি জায়গা দখল করে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে সোচ্চার ছিলেন এলাকাবাসীরা। সম্প্রতি ওই বিধানসভা কেন্দ্রে রমরমিয়ে চলা বেআইনি মাটি কাটা নিয়ে জেলা তৃণমূলের একটা বড় অংশ সরব হয়েছিলেন। সেই বেআইনি মাটি কাটার কাজ বন্ধ হলেও ফের জগৎবল্লভপুর হাইলাইটস বেআইনি কাজে। এবার বড়গাছিয়া শিরিষ তলার কাছে দুটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠল। মদন পোড়েল নামে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ওই বেআইনি কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। পুকুর ভরাটের ফলে নিকাশি ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়বে বলে আশঙ্কা এলাকার লোকজনের। তাঁরা ওই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। প্রশাসন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে স্থানীয় লোকজন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মদন বলেন, ‘নেতাদের অনুমতি নিয়েই এই কাজ করছি। পাতিহাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বেচারাম বসুর মদতেই এই কাজ করা হচ্ছে। বেচারামকে আমি বড়গাছিয়ায় একটি অফিস দিয়েছি। সেই জন্যই তিনি এই কাজ করতে দিচ্ছেন।
বেচারাম অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
হাওড়া জেলার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা বলেন, ‘জগৎবল্লভপুরের জন্য গোটা হাওড়া জেলার মুখ পুড়ছে।’
এখন প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেই সেদিকেই তাকিয়ে এলাকার লোকজন।



