খবর লাইভ : গত ১৩ মার্চ খুন হন ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। সেই খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন তাঁরই বন্ধু নিরঞ্জন। গত ৬ মার্চ বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নিরঞ্জনের ঝুলন্ত দেহ। পাশে পাওয়া সুইসাইড নোটে তিনি ‘চাপ দেওয়ার’ কথা লিখেছিলেন বলে দাবি। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাই কোর্টের তরফে তপন-খুনের তদন্তভার পাওয়ার পর ৬ মার্চই ঝালদা যায় সিবিআই। ঘটনাচক্রে, সে দিনই উদ্ধার হয় নিরঞ্জনের ঝুলন্ত দেহ।
ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের অন্যতম সাক্ষী নিরঞ্জন বৈষ্ণব। খুনের পরই নিরঞ্জনের দাদা নেপাল বৈষ্ণব পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি লেখেন, ‘সকাল ৬.৩০টার সময় হঠাৎ তাঁর ভাইয়ের ঝুলন্ত দেহ পাওয়া যায়। তার ওই অস্বাভাবিক মৃত্যুতে আমরা হতবাক হয়ে যাই। আমার সন্দেহ, পুলিস তাঁকে দিয়ে কিছু বলানোর বা লিখে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয়, তাঁর মোবাইল ফোনটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেটি সব সময় তাঁর কাছেই থাকত।’
এ বার সেই নিরঞ্জন বৈষ্ণবের মৃত্যুর তদন্তভার দেওয়া হল সিবিআইয়ের হাতে । নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থা’র। আদালতে রাজ্য জানায়, “এফআইআর দায়ের হয়েছে । সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে । প্রতিবেশীর সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে । ফরেনসিক আধিকারিকদের আসতে বলা হয়েছে, তারা এখনো আসেনি। তিনি যে ছাত্রদের পড়াতেন, তাদের কাছ থেকে খাতা নিয়ে হাতের লেখা মিলিয়ে দেখা হবে।” ইতিমধ্যেই তপন কান্দু খুনের তদন্তভারে গিয়েছে সিবিআইয়ের হাতে ।



