খবর লাইভ : কিছুদিন আগেই শোনা গিয়েছিল রাজ্য বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির বা পিএসি-র চেয়ারম্যান পদটি দেওয়া হতে চলেছে বিজেপিকে। রাজ্যের শাসক দলের তরফেই তা গেরুয়া শিবিরকে জানানো হয়েছিল। এমনকি এটাও শোনা যাচ্ছিল এই চেয়ারম্যান পদের জন্য মুকুল রায় অথবা অশোক লাহিড়ির নাম ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে বিজেপিতে। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে বিজেপি এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির চেয়ারম্যান পদ নাও পেতে পারে এবারে। পরিবর্তে তা শাসক দল নিজের হাতেই রাখতে পারে। অন্য আরও ২-৩টি কমিটির চেয়ারম্যান পদ বিজেপিকে দিয়ে দিতে পারে। আর তার থেকেও বড় কথা সেই পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদের জন্য দুটি নাম ভাবা হচ্ছে। প্রথমটি পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও দ্বিতীয়টি মুকুল রায়।
সম্প্রতি তৃণমূল ও বিজেপির পরিষদীয় দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনায় স্থির হয়েছিল, রেওয়াজ মেনে পিএসি-র চেয়ারম্যান পদটি দেওয়া হবে বিরোধী দলকে। মানে তা পাবে বিজেপি। কিন্তু এখন শাসক শিবির থেকে সেই সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত মিলছে। তৃণমূল পরিষদীয় দল সূত্রে খবর, পিএসি-র চেয়ারম্যান পদটি নাও ছাড়া হতে পারে বিজেপিকে। পরিষদয়ী মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কিছুই বলেননি। এদিন তাঁকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু বলেন, ‘পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদ কে পাবেন, তা ঠিক করেন বিধানসভার স্পিকার। এক্ষেত্রে আমাদের কিছু বলার নেই।’ আইন অনুযায়ী পরিষদয়ী মন্ত্রী ঠিকই বলেছেন। পিএসি-র চেযারম্যানের পদ বিরোধী দলকে দিতেই হবে— এমন কোনও আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। পুরোটাই হয়ে আসছে রীতি এবং রেওয়াজের উপর ভিত্তি করে। দেশের সংসদীয় এবং রাজ্যের পরিষদীয় গণতন্ত্রে শাসক ও বিরোধীপক্ষের পরিষদীয় দলের আলোচনার ভিত্তিতে পিএসি-র চেয়ারম্যান পদটি বিরোধীপক্ষকে দেওয়া হয়ে থাকে। ঠিক যে ভাবে লোকসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর চৌধুরী।
কিন্তু কেন্দ্রের শাসক বিজেপি ওই রেওয়াজ না মানলে অন্তত আইনগত দিক থেকে বিরোধী কংগ্রেসের কিছু বলার ছিল না। যেমন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাতেও শাসক তৃণমূল যদি মনে করে, তারা বিরোধী বিজেপিকে পদটি ছাড়বে না, তা হলে বিজেপিরও কিছু করণীয় থাকবে না। বিধানসভা স্পিকার যদি মনে করেন, নিজের বিবেচনার ভিত্তিতে ওই পদটি তিনি শাসকদলকে দিতে পারেন। ২০১৬ সালের বিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বিবেচনা প্রয়োগ করেই তৎকালীন কংগ্রেস বিধায়ক মানস ভুঁইয়াকে পিএসি-র চেয়ারম্যান পদটি দিয়েছিলেন। যদিও বিরোধী বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস জোটের পক্ষে ওই পদের জন্য তৎকালীন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। বিরোধীদের সেই প্রস্তাব না মেনে স্পিকার পিএসি-র চেয়ারম্যান করেন মানসকে। ঘটনাচক্রে, মানসও তখন বিরোধী শিবিরেরই বিধায়ক ছিলেন। পরে তিনি চলে আসেন তৃণমূলে। কিন্তু এবার বিরোধী বিজেপির কোনও বিধায়ক নন, পদটি পেতে পারেন শাসকদলের কোনও বিধায়কই। বিধানসভার একটি সূত্রের দাবি, স্পিকার নিজের বিবেচনা প্রয়োগ করে শাসকদলের কোনও প্রতিনিধিকে পিএসি-র চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করতে পারেন। আর সেখানেই ঘুরছে মুকুলের নাম। অনেকের ধারণা মুকুলের নাম যদি বিজেপি মেনে নিত তাহলে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদটিও তারা পেয়ে যেত। কিন্তু মুকুলের নাম না মেনে নেওয়ায় এবার এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির চেয়ারম্যান পদ হয়তো হারাতে বসেছে বিজেপি।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…