খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা আইনি লড়াইয়ে আজ চূড়ান্ত মোড় এল। বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ আজ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ৩১শে মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ আগামী ৩১শে মার্চের মধ্যে কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে। বাকি বকেয়া ডিএ-র ভবিষ্যৎ নির্ধারণে তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই কমিটি ডিএ সংক্রান্ত সমস্ত দিক খতিয়ে দেখবে এবং বাকি অর্থ মেটানোর ব্যাপারে নির্দিষ্ট সুপারিশ করবে। গত সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল, কিন্তু রায়দান স্থগিত রেখেছিল শীর্ষ আদালত।
এর আগে রাজ্যকে ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর জন্য ছয় সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও টাকা মেটায়নি নবান্ন, বরং আরও ছয় মাস সময় চেয়েছিল রাজ্য সরকার। আজ সেই আবেদন কার্যত খারিজ করে দিয়ে আদালত চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিল। বর্তমানে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের ডিএ-র ফারাক আকাশছোঁয়া। হিসেব অনুযায়ী, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-র পার্থক্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশে। এই বিশাল বৈষম্য ঘোচাতেই দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনরত কর্মীরা।
অন্যদিকে, বাজেট পেশের এই উৎসবমুখর আবহের মাঝেই রাজ্যের মুখ্য সচিবকে পাঠানো নির্বাচন কমিশনের চিঠি অস্বস্তি বাড়িয়েছে রাজ্য সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী যখন দিল্লি সফরে ব্যস্ত, ঠিক তখনই কমিশনের এই কড়া পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।কমিশনের অভিযোগ, নির্বাচন সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ রাজ্য সরকার এখনও কার্যকর করেনি।
যেসব সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অতীতে FIR দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, রাজ্য প্রশাসন কেন তা এখনও করেনি, সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।শুধু কারণ দর্শানোই নয়, কমিশনের নির্দেশ পালন করার জন্য রাজ্যকে একটি চূড়ান্ত সময়সীমা বা ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে।




