খবর লাইভ : ভারত কি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে? ঢাকার ইউনুস সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানানো পর, সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের তরফে অনুরোধ গৃহীত হয়েছে। তারা বিষয়টি বিচারগতভাবে ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় বিবেচনা করছে এবং প্রতিবেশী দেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষায় ভারত সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গত সপ্তাহে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকার একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। গত বছর ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের নৃশংস দমন-পীড়নের অভিযোগেই এই রায় বলে জানানো হয়। ব্যাপক বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন আওয়ামী লীগ নেত্রী হাসিনা। তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্র ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও একই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এরই পর বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠায়।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “বিচারবিভাগীয় এবং আভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুরোটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” আমরা বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতার স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিষয়টি নিয়ে সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাব।”
বাংলাদেশের অবস্থান
হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর ঢাকা জানায়, দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে ভারত অবিলম্বে তাকে হস্তান্তর করবে এটা ভারতেরও বাধ্যবাধকতা। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানায়, রায় কার্যকর করতে ভারতের সহযোগিতা জরুরি।
হাসিনার প্রতিক্রিয়া
রায় ঘোষণার পর শেখ হাসিনা বলেন, এই রায় “একটি অবৈধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া, যা একটি অনির্বাচিত সরকারের অধীনে পরিচালিত এবং যার কোনও গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট নেই।”




