খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গে অতীতেও একাধিক বার ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। কিন্তু ২০২৫ সালে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর যেন বিতর্কের অন্য মাত্রা নিয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে এহেন বিতর্ক পশ্চিমবঙ্গে কখনও হয়নি। প্রথমে একাধিক বিএলওর কাজে যোগ দিতে চাইছিলেন না। কমিশনের শোকজের পরে তাঁরা চাপে পড়ে ফিল্ডে নেমে পড়েছেন। এখন আবার বিএলও-দের নিয়ে নয়া বিতর্ক। বিএলও–দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এলাকায়া প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করতে হবে। কিন্তু অভিযোগ,বহু বিএলও- বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন না। তাঁরা পাড়ার কোনও চায়ের দোকান বা স্থানীয় ক্লাবেই বসে ফর্ম দিচ্ছেন। এই সব ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন।
পাড়ায় চায়ের দোকানে বা লোকাল ক্লাবে বসে ফর্ম বিলি
বাস স্ট্যান্ড, পাড়ায় চায়ের দোকানে বা লোকাল ক্লাবে বসে ফর্ম বিলির একাধিক ঘটনা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলা থেকে বিএলও–দের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে। কয়েক দিন আগেই দুর্গাপুরে দেখা গিয়েছে, বাসস্ট্যান্ডে টেবিল, চেয়ার পেতে বসে ফর্ম বিলি করছেন এক বিএলও। কখনও দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের স্থানীয় নেতার সঙ্গে মিলে পার্টি অফিসে বা রাস্তার ধারে বসে ফর্ম বিলি করছেন বিএলও। পূর্বস্থলীতে কল্যাণপুর পঞ্চায়েতে এই রকম ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। দত্তপুকুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৩৯ নম্বর বুথে দেখা গিয়েছে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বসে ফর্ম বিলি করা হচ্ছে। আবার গত সপ্তাহে পশ্চিম মেদিনীপুরে দাসপুরে ২ নম্বর ব্লকে অভিযোগ, স্ত্রী বিএলও হওয়ায় ফর্ম বিলির দায়িত্ব নিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা। এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি উত্তর চব্বিশ পরগনার পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের পানিহাটি চার নম্বর ওয়ার্ডে।
বিএলও-দের কাজে নজর রাখতে প্রতি জেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ওই কন্ট্রোলরুমে বিএলও- দের সুপারভাইজার থাকবেন। প্রতি ১০ জন বিএলও–র জন্য একজন করে সুপারভাইজার রাখা হয়েছে। এঁরা বিএলও–দের কাজে নজর রাখবেন। এছাড়াও নাগরিকদের জন্য স্পেশাল হেল্পলাইন চালু করেছে কমিশন, বিএলও- সম্পর্কিত যে কোনও অভিযোগ ওই নম্বরে ফোন করে কমিশনকে জানাতে পারবেন ভোটাররা।




