games Special News Special Reports

ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আগেই ১০০ রানে জয়ী ভারত, আসল সত্যিটা কি

0
(0)

খবর লাইভ : আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের  ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব আপাতত এই ম্য়াচের জন্য অপেক্ষা করছে। রবিবার ,২ নভেম্বর নব্য মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে এই ঐতিহাসিক ফাইনাল ম্য়াচ আয়োজন করা হবে।ঐতিহাসিক কারণ, এই দুটো দলই এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেতাব জয় করতে পারেনি। ২৫ বছর পর মহিলা ক্রিকেট বিশ্ব এক নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে। তবে ফাইনাল ম্যাচ শুরু হওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগে থেকেই একটি ভয়ঙ্কর দাবি করা হচ্ছে। আর সেটা দেখে সকলেই চমকে উঠেছেন। এই খেতাবি লড়াইয়ের একদিন আগেই মহিলা বিশ্বকাপের উইকিপিডিয়া পেজে ভারতীয় দলকে বিজয়ী ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

এই চাঞ্চল্যকর দাবিটা মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের অফিশিয়াল উইকিপিডিয়া পেজে করা হয়েছে। আসলে, এই পেজে গত প্রত্যেক এডিশনে কোন-কোন দল বিশ্বকাপ খেতাব জয় করেছে, সেটা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানেই ২০২৫ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।এই দাবি অনুসারে, ফাইনাল ম্যাচে ইন্ডিয়া ১০০ রানের ব্যবধানে প্রোটিয়া ব্রিগেডকে পরাস্ত করবে। আর সেইসঙ্গে জিতবে বিশ্বকাপ খেতাব। এই একটা আপডেট সবাইকে কার্যত চমকে দিয়েছে। এমনকী, স্ক্রিনশটও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু করেছে।

সত্যিটা হল, কেউ দুষ্টুমি করে উইকিপিডিয়ার পেজে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। উইকিপিডিয়া আসলে একটি ওপেন এডিটিং প্ল্য়াটফর্ম। সেটা যে কোনও ব্যক্তি বদলাতে পারেন। উইকিপিডিয়া পেজে তথ্য বদলের জন্য কোনও নজরদারির প্রয়োজন হয় না। সেকারণে মাঝেমধ্যেই এমন ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়। আশা করা হচ্ছে, এটাও তেমনই কেউ মজা করে এডিট করেছেন।
২০২৩, ২০২৪ সালের পর ২০২৫। ক্রিকেটের আরও একটি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত। রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের পর এবার হরমনপ্রীত কৌর-স্মৃতি মন্ধানাদের ঘিরে স্বপ্ন দেখছে দেশ। বছর দেড়েক আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন রোহিতেরা। এ বার এক দিনের বিশ্বকাপ ট্রফি এবং হরমনপ্রীতদের মাঝেও বাধা সেই প্রোটিয়ারা। হরমনপ্রীত-মন্ধানারা শেষ বাধা টপকাতে পারলে এ দেশের ক্রিকেটে ফিরতে পারে ‘১৯৮৩’।

মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেটে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হয়েছে মোট ৩৪ বার। ২০টি ম্যাচ জিতেছে ভারত। ১৩টি দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলাফল হয়নি একটি ম্যাচের। জয়-পরাজয়ের নিরিখে পাল্লা ভারী ভারতের। তবু বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় না। ইতিহাস তৈরির সুযোগ দু’দলের সামনেই। ক্রিকেটপ্রেমীরা নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের অপেক্ষায় রয়েছেন। হরমনপ্রীতেরা চ্যাম্পিয়ন হলে বদলে যেতে পারে ভারতে মহিলাদের ক্রিকেটের চেহারা। ঠিক যেমন ১৯৮৩ সালে কপিল দেবদের বিশ্বজয় বদলে দিয়েছিল এ দেশের ক্রিকেটকে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *