৩০ আগস্ট মোদি জাপানের বার্ষিক ভারত-জাপান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ নেবেন, যেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন। ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর তিয়ানজিনে এসসিও সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন।
কূটনৈতিক গুরুত্ব
এই সফর ভারতের পক্ষ থেকে একটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা হিসাবেই দেখা হচ্ছে। ২০২০ সালের সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ছিল, তাই এই সফরে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিরপেক্ষ পরিচয় পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হবে।
এসসিও সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয় প্রধান আলোচনার অংশ হবে। এর পাশাপাশি, প্রতিকূল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি, যেমন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুল্ক নীতি এবং বিআরআইসিএস–এর প্রতি সমালোচনামূলক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে, মোদির সফরকে একটি ভারসাম্যকারী কূটনীতির অংশ হিসাবেও দেখা হচ্ছে।
পরবর্তী প্রত্যাশা
সম্ভাব্যভাবে মোদি-জি ঝিনপিং বা অন্যান্য এসসিও সদস্য দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে। এর ফলশ্রুতিতে সৌহার্দ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনির্মাণে নতুন গতি আসতে পারে।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, শুল্কযুদ্ধের আবহে মোদির চিন সফর তাৎপর্যপূর্ণ। রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারত-সহ একাধিক রাষ্ট্রের উপর নতুন করে বিপুল হারে শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রুশ বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, আধিপত্য বিস্তারে ‘নব্য ঔপনিবেশিকতা’র নীতিতে চলতে শুরু করেছে আমেরিকা। রাশিয়ার দাবি, কোনও শুল্কযুদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞাই বন্ধুরাষ্ট্রগুলির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ইতিহাসকে বদলে দিতে পারবে না। কার্যত ট্রাম্পের হুমকিকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছে মস্কো। এই আবেহ তিয়ানজিনে পুতিন-মোদি সাক্ষাতের দিকে নজর থাকবে গোটা বিশ্বের।