উল্লেখ্য, আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। বাংলা তো বটেই, দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্য এমনকি দেশের বাইরেও বিভিন্ন দেশে এই ঘটনার প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়। কলকাতা পুলিশের এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে প্রাথমিক ভাবে গ্রেফতার করা হয়। পরে এই ঘটনার তদন্তের ভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআই ইতিমধ্যে চার্জশিট জমা দিয়েছে। বিচারপর্বের পর সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে আদালত। কিন্তু এখনও তদন্ত চলছে। তদন্তের গতিপ্রকৃতিতে খুশি নয় মৃতের পরিবার।
শুরু থেকেই বারবার এই মামলায় আসল সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিক বৈঠকে আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ দেবাশিস হালদার জানান, শুধু ৮ অগস্ট রাতে নয়, পরের দিন ৯ রাখিবন্ধন পালন করা হবে। আর বিকেলে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ‘ক্রাই অফ আওয়ার’-এর সামনে জমায়েত করা হবে। দেবাশিস জানিয়েছেন, কলেজে কলেজে থ্রেট কালচাররের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন তারা। দেবাশিসের অভিযোগ, ‘এখন রাজ্যে গুলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি চলছে। তবে আমরা কেউ সে দিনের রাতের কথা ভুলিনি। ভুলব না।’
আগামী ৯ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে দলীয় পতাকা ছাড়া এই কর্মসূচিতে সকলকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শুভেন্দু। এই কর্মসূচিতে থাকবেন অভয়ার বাবা-মা। তবে শুভেন্দুর ডাকে নবান্ন অভিযানে যোগ দিচ্ছেন না জুনিয়র ডাক্তাররা। দেবাশিস হালদার বলেন, ‘আরজি কাণ্ডে রাজ্য সরকার যেমন দায়ী, তেমনই সিবিআইও দায় অস্বীকার করতে পারে না। এখনও পর্যন্ত তারা অতিরিক্ত চার্জশিট জমা করতে পারল না।’