খবর লাইভ : বড়সড় বিপাকে বাবা রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলি। সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ লিমিটেডকে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্রীয় সরকার। মোদি সরকারের কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের তরফে এই নোটিস জারি করা হয়েছে। আগামী ২ মাসের মধ্যে ওই সন্দেহজনক লেনদেন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানাতে বলা হয়েছে সংস্থাকে। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে পতঞ্জলির শেয়ার। সিঁদুরে মেঘ দেখে এই সংস্থা থেকে বিনিয়োগ তুলে নিতে শুরু করেছেন বিনিয়োগকারীরা।
জানা যাচ্ছে, পতঞ্জলি সংস্থার বেশকিছু লেনদেন রীতিমতো সন্দেহজনক। প্রাথমিক তদন্তে এই লেনদেনগুলিকে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক। যার জেরেই পাঠানো হয় এই নোটিস। জানা যাচ্ছে, ওই সন্দেহভাজন লেনদেনের বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২ মাসের মধ্যে ওই লেনদেনের বিস্তারিত রিপোর্ট-সহ নোটিসের জবাব দিতে হবে। অন্যথায়, গোটা ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অবশ্য এই নোটিস নিয়ে পতঞ্জলির তরফে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। গোটা ঘটনায় মুখে কুলুপ বাবা রামদেব ও বালকৃষ্ণের।
পতঞ্জলির যৌথ প্রধান হলেন বাবা রামদেব ও বালকৃষ্ণ। এরা দুজনেই নানা সময়ে উঠে এসেছেন বিতর্কের শিরোনামে। বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি ‘মিথ্যে’ প্রচারের অভিযোগে অসংখ্য মামলাও দায়ের হয়েছে দুই জনের বিরুদ্ধে। একাধিক আদালতে এ নিয়ে তিরস্কারও শুনতে হয়েছে রামদেবকে। এমনকী শাস্তিও পেতে হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে জরিমানা ও ক্ষমা চেয়েও পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন পতঞ্জলির দুই মালিক। শুধু তাই নয়, গত বছর আয়কর না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পতঞ্জলির বিরুদ্ধে। একের পর এক অভিযোগ ও মিথ্যাচারের জেরে এমনিতেই গ্রাহকদের কাছে পতঞ্জলির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরই মাঝে এই ঘটনায় বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে পতঞ্জলির শেয়ারও।
জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের নোটিস পাওয়ার পর এদিন সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় পতঞ্জলি ফুডস লিমিটেড। শুক্রবার ৫ শতাংশের কাছাকাছি নেমে যায় এই শেয়ারের দাম। বাজার খোলার পর থেকে এই শেয়ারের দাম পড়ে দাঁড়ায় ১৬৭১ টাকা। গত ৫২ সপ্তাহে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দাম ছিল ১১৬৯ টাকা। এবং সর্বোচ্চ দাম ছিল ২০১১ টাকা।




