খবর লাইভ : এলাকায় সাট্টার কারবার বন্ধ করতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠাতে চলেছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন হুগলির চণ্ডীতলা থানার নৈটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস মান্না। এদিকে খবর লাইভের খবরের জেরে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হল হরিপাল থানার ডাকমাস্টার সুব্রত ঘোষালকে।
হুগলি জেলার ত্রাস রমেশ মাহাতোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাট্টা কারবারের ডন সন্তু দাস। চণ্ডীতলার নৈটি গ্রাম পঞ্চায়েতের আদানের বাসিন্দা সন্তুই বর্তমানে হুগলি জেলার বেআইনি সাট্টা কারবারের মূল চাঁই। পুলিশের নিচুস্তরের কিছু কর্মী ও কিছু রাজনৈতিক নেতার প্রশ্রয়েই তার এতটা বাড়বাড়ন্ত। হুগলি জেলার হরিপাল ও চণ্ডীতলা থানা এলাকায় প্রায় ৫০০ লোককে নিয়ে সে এই বেআইনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। খবর লাইভের খবরের জেরে অবশ্য হরিপাল থানা তার ব্যবসা বন্ধ করিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। সন্তুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে ওই থানার ডাক মাস্টার সুব্রত ঘোষালকেও পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
হরিপাল থানায় তার কারবার বন্ধ হলেও চণ্ডীতলা থানা এলাকায় অবশ্য এখনও রমরমিয়ে চলছে তার ব্যবসা। আদনার বাসিন্দা সন্তু তার বাড়িতেই এই বেআইনি কারবারের গদি খুলে হুগলি জেলা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ। তার এই বেআইনি কারবারের জেরে বহু মানুষ সর্বশান্ত হয়ে পড়ছেন বলে দাবি করেছেন নৈটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস মান্না। তিনি বলেন, ‘এলাকার লোকজন এই বেআইনি কারবারে সর্বশান্ত হয়ে পড়ছে। বহু পরিবার শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের কাছে মানুষ অভিযোগ করেছেন একাধিকবার। আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। উল্টে আমরা সাট্টা মাফিয়াদের টার্গেটের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। তবে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ জানাবো।’
শুধু আদানই নয়, জানাই বেগমপুর সহ চণ্ডীতলা থানার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এই বেআইনি কারবার চালাচ্ছে সন্তু। ইতিমধ্যেই পুলিশের নিচু স্তরের কয়েকজন কর্মী ও কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়ারের ভূমিকা খুঁটিয়ে দেখা শুরু করেছে হুগলি জেলা পুলিশ। হুগলি জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘খুব তাড়াতাড়ি আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেব।’




