খবর লাইভ : একদিকে সমুদ্রের গর্জন। অন্যদিকে মঙ্গলশঙ্খের নাদ। দিঘার আকাশ-বাতাসে উৎসবের মেজাজ। ভাসছে মাঙ্গলিক সুর। বুধবার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন। তার জন্যই এত আয়োজন। সোমবার দুপুরেই হেলিকপ্টারে দিঘা পৌঁছছেন মমতা। খুঁটিয়ে দেখেন প্রস্তুতির খুঁটিনাটি।
বুধবার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন। গোটা রাজ্যের নজর এখন এখানেই। ইতিমধ্যেই প্রাক মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলঘট নিয়ে মন্দির প্রদক্ষিণ করেছেন মহিলারা। জানা গিয়েছে, ২৫ এপ্রিল থেকে সকাল-সন্ধ্যা পুজোপাঠ হোমযজ্ঞ শুরু হয়েছে। টানা চলবে উদ্বোধন পর্যন্ত।
মঙ্গলবার হবে মহাযজ্ঞ। ২ কুইন্টাল ঘি এবং ১০০ কুন্টাল আম ও বেল কাঠ আনা হয়েছে। পুরী থেকে জগন্নাথের ৫৭ জন সেবক এবং ইস্কনের ১৭ জন সাধু থাকছেন। প্রতিদিন তিনবেলা ভোগ নিবেদন করা হচ্ছে ( সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যা)। মঙ্গলে রাজভোগ, গজা, পেঁড়া, সন্দেশ-সহ একাধিক মিষ্টান্ন সহযোগে ৫৬ ভোগ নিবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইস্কনের সহ সভাপতি রাধারামন দাস।
জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের ব্যবস্থাপনার জন্য সপ্তাহ দেড়েক আগে নবান্ন সভাঘরে প্রস্তুতি বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সেখানেই তিনি বলেছিলেন, পুরীতে যেমন খাজা বিখ্যাত, তেমনই দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে গজা রাখা হবে। থাকবে পেঁড়াও।
অপদেবতা তাড়ানোর যজ্ঞ শুরু হয়েছিল গত শুক্রবার থেকে। সেই থেকে রোজই কোনও না কোনও উদ্দেশ্যে যজ্ঞ হচ্ছে। তবে মহাযজ্ঞ মঙ্গলবার। জগন্নাথদেবকে আবাহনের উদ্দেশ্যে। মঙ্গল সকাল থেকে শুরু হয়ে তা চলবে বিকেল পর্যন্ত। বিকেলে পূর্ণাহুতি দেবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের পুজোপাঠ এবং যজ্ঞে যেমন রয়েছেন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের অন্যতম প্রধান সেবায়েত রাজেশ দয়িতাপতি, তেমনই রয়েছেন ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা মুখপাত্র রাধারমণ দাস। তাঁদের সঙ্গেই থাকছেন আরও সাধু-সন্ন্যাসী।
মন্দিরচত্বরে যেমন সাধুরা যজ্ঞ করবেন, তেমনই মূল মন্দিরের ভিতরে যে জগমোহন মন্দির নির্মিত হয়েছে, সেখানে যজ্ঞ করবেন ইসকনেরা সেবায়েতরা। সব যজ্ঞেই ব্যবহার করা হচ্ছে আম এবং বেলকাঠ।
বুধবার প্রথম যে যজ্ঞ হবে, সেই যজ্ঞের সময় বিগ্রহকে চার দিক দিয়ে ঘেরা হবে সোনা, রূপা, এবং তামার তার দিয়ে। সেই তিন ধাতুর ‘কার’ বাঁধা থাকবে প্রধান পুরোহিতের কোমরে।
বিগ্রহের সামনেই মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হবে যজ্ঞকুণ্ড এবং কুম্ভকুণ্ড (ঘটে জল রেখে তৈরি হয় কুম্ভকুণ্ড)। তার পরে শুরু হবে জগন্নাথের বিগ্রহে প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া। জগন্নাথের সঙ্গে রাধা-কৃষ্ণের মূর্তিতেও প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হবে।
প্রাণপ্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণ বুধবার সকাল ১১টা ১০ থেকে ১১টা ৩০ মিনিট। ওই ২০ মিনিটের মধ্যেই দেবতার সর্বাঙ্গে কুশের স্পর্শ করা হবে। রুদ্ধ দরজার ভিতরে হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। সাধুসন্ন্যাসীরাই সেই প্রক্রিয়া করবেন বলে জানিয়েছেন ইসকনের রাধারমণ। প্রাণপ্রতিষ্ঠার পরেই জগন্নাথের স্নান এবং বস্ত্র পরিধানের প্রক্রিয়া সারা হবে। তার পরে ৫৬ ভোগ অর্পণ করা হবে জগন্নাথের উদ্দেশে।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…