খবর লাইভ : আরজি কর কাণ্ডে পরিবারকে ফোন করা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার এবং চেস্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে মঙ্গলবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইনিই নির্যাতিতার পরিবারকে ফোন করে ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবারের পরে মঙ্গলবারও তিন জুনিয়র চিকিৎসক এবং এক জন হাউস স্টাফকে তলব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তদন্তে নতুন কিছু পাওয়া যায় কিনা তা খতিয়ে দেখতে ডাকা হবে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও।
আরও পড়ুনঃ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পর বাংলাদেশ নিয়ে বাড়ছে আশঙ্কা, জলপথে বাড়তি নজরদারি ভারতের
আরজি কর হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত আছে কি না খতিয়ে দেখতে সঞ্জয় রায় হাসপাতালে গিয়ে কাদের সঙ্গে দেখা করত, ঘনিষ্ঠ ছিল জানতে এক মাসের সিসিটিভি ফুটেজ দেখবে পুলিশ। সেই সঙ্গে, এছাড়া ওই দিন রাতে ডিউটিতে থাকা নার্স, নিরাপত্তারক্ষী এবং গ্রুপ ডি স্টাফেদের তলব করা হয়েছে। তদন্তে গতি আনতে বাড়ানো হয়েছে সিটের সদস্য সংখ্যাও।
মঙ্গলবারও একগুচ্ছ দাবি প্রকাশ করেছে আরজি কর রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন। যার মধ্যে রয়েছে, সিসিটিভি, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট-সহ তদন্তের অগ্রগতি তাঁদের প্রতিনিধিদের দেখাতে হবে। এদিনও পরিবারকে ক্ষতিপূরণ-সহ বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন প্রতিনিধিরা। সেই সঙ্গে চিকিৎসকদের সংগঠনের দাবি, অবিলম্বে লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা এবং লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার এবং কর্তব্যরত চেস্ট মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধানকে।




